৪২০ আ.লীগ নেতাকর্মীর নামে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা, গ্রেপ্তার ১৮
গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে নাশকতার পরিকল্পনার অভিযোগে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের ১২০ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। এতে আরও ২০০ থেকে ৩০০ জনকে অজ্ঞাতপরিচয় আসামি করা হয়েছে।
গতকাল বুধবার (১৫ জুলাই) রাতে কাশিয়ানী থানায় মামলাটি করেছেন উপজেলার রাতইল ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমদাদুল হক।
আজ বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সহকারী পুলিশ সুপার (মুকসুদপুর সার্কেল) নাফিছুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, গত ১৪ জুলাই বিকেলে উপজেলার তিলছড়া এলাকায় ঢাকা-খুলনা মহাসড়ক অবরোধ করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে এনে পুনরায় ক্ষমতায় বসানোর পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে যান চলাচলে বাধা সৃষ্টি করে তারা। এতে জনমনে আতঙ্ক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। এ সময় মামলার বাদী এমদাদুল হক মোটরসাইকেলযোগে সঙ্গী নিয়ে সেখানে পৌঁছালে আসামিরা তাদের ওপর চড়াও হয়। তাদের মারধর করে এবং ব্যবহৃত মোটরসাইকেলে আগুন ধরিয়ে পুড়িয়ে দেয়। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে আসামিরা পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় বুধবার রাতে কাশিয়ানী থানায় ১২০ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতপরিচয় আরও ২০০ থেকে ৩০০ জনকে আসামি করে মামলা হয়েছে।
সহকারী পুলিশ সুপার (মুকসুদপুর সার্কেল) নাফিছুর রহমান বলেন, কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠনের নামে ঢাকা-খুলনা মহাসড়ক অবরোধ, যানবাহন চলাচলে বাধা, বিএনপিনেতাদের মারধর এবং মোটরসাইকেলে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় মামলাটি করা হয়েছে। এ মামলার ১৮ আসামিকে গ্রেপ্তার করে বুধবার আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

মাসুদ পারভেজ, গোপালগঞ্জ