মুক্তিযুদ্ধ আমার কাছেও গর্বের : পরমব্রত
ফাখরুল আরেফীন পরিচালিত ‘ভুবন মাঝি’ ছবিটি মুক্তি পাবে আগামীকাল শুক্রবার। ছবিতে মূল চরিত্রে অভিনয় করেছেন পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়। গতকাল বুধবার ঢাকায় ছবির উদ্বোধনী প্রদর্শনীতে উপস্থিত ছিলেন তিনি। এ সময় ছবিটির বিভিন্ন প্রসঙ্গ নিয়ে তিনি কথা বলেন এনটিভি অনলাইনের সঙ্গে।
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র ‘ভুবন মাঝি’-তে মুখ্য চরিত্রে আপনি অভিনয় করেছেন। প্রস্তুতি কেমন ছিল?
পরমব্রত চট্টোপাধ্যায় : বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ধারণা আমার কৈশোর থেকেই ছিল। যেটা হয়েছে, ‘ভুবন মাঝি’ ছবিতে অংশগ্রহণ করে পূর্বের ধারণা আমি শাণিত করতে পেরেছি। আমি যে পরিবেশে ও শিক্ষায় বড় হয়েছি, তাতে পশ্চিমবঙ্গের বাঙালি হলেও বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ আমি আমার ইতিহাসের অংশ বলেও জেনেছি। মুক্তিযুদ্ধ আমার কাছেও ইতিহাসের একটি গর্বের অধ্যায়। তাই প্রস্তুতি নতুন করে খুব একটা নিতে হয়নি।
ছবির চরিত্র ও আপনার অনুভূতি সম্পর্কে কিছু বলুন।
পরমব্রত চট্টোপাধ্যায় : ছবিতে আমার চরিত্রের নাম নহির। আমি পশ্চিম বাংলার অভিনেতা। এটা আমার পরম সৌভাগ্য, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করেছি। এটা আমার জন্য সুযোগও বলতে পারেন। ‘ভুবন মাঝি’ ছবিতে যখন অভিনয়ের প্রস্তাব পাই, তখন আমার খুব ভালো লেগেছিল। যেহেতু আমি মুক্তিযুদ্ধের মূল্যবোধ সম্পর্কে জানি, তাই এ ধারণা আমার কাছে নতুন কিছু মনে হয়নি। নহির চরিত্রটিও আমার পছন্দ হয়েছে।
দর্শক ‘ভুবন মাঝি’ ছবিটি কেন দেখবেন বলে আপনি মনে করেন?
পরমব্রত চট্টোপাধ্যায় : পুরো পৃথিবীতে স্বাধীনতা যুদ্ধের ছবিগুলোর আলাদা একটা ফর্মুলা রয়েছে। আমার কাছে মনে হয়েছে, যুদ্ধবিষয়ক ছবির ফর্মুলা থেকে বেরিয়ে এসেছে ‘ভুবন মাঝি’। এটা অনেক আলাদা ছবি। ছবিতে একজন ব্যক্তির ব্যক্তিগত মুক্তির কথাও খুব ভালোভাবে তুলে ধরা হয়েছে। ছবিতে তাঁর মুক্তির বিষয়টিও খুব গুরুত্বপূর্ণ।

নাইস নূর