তারকার প্রথম
আমার অর্থের টানাটানি ছিল : আসিফ
‘ও প্রিয়া তুমি কোথায়’, ‘পাষাণী তুমি পাষাণী’, ‘তুমিও কাঁদবে একদিন’, ‘সুখে থেকো তুমি বান্ধবী’ জনপ্রিয় এই গানগুলোর গায়ক আসিফ আকবর। একসময়ের তুমুল জনপ্রিয় এই শিল্পীর জনপ্রিয়তায় এখনো বিন্দুমাত্র ভাটা পড়ে নেই। সম্প্রতি এনটিভি অনলাইনের সঙ্গে এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তাঁর জীবনে ঘটে যাওয়া প্রথম অনেক বিষয় নিয়ে কথা বলেছেন আসিফ।
প্রথম স্কুল : কুমিল্লার একটা ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলে পড়েছি।
প্রথম শিক্ষক : জুলিয়ানা রুহিনা। স্টুডেন্ট হিসেবে আমি মোটামুটি ছিলাম। অঙ্ক ও বিজ্ঞান বিষয় আমার ভালো লাগত না। তবে বাকি সব বিষয় ভালো লাগত। ‘জাহাজ কেন পানিতে ভাসে?’ এসব পড়তে আমার ভালো লাগত না কখনই।
প্রথম গানের অ্যালবাম : ‘ও প্রিয়া তুমি কোথায়’।
প্রথম মিউজিক ভিডিও : ২০০৪ সালে প্রথম মিউজিক ভিডিও করেছিলাম। আমার সঙ্গে মডেল হয়েছিল তখনকার মিস দার্জিলিং। ভারতে শুটিং হয়েছিল। শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা নিয়ে বিশেষ কিছু বলার নেই। ক্যারিয়ারের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত পরিচালকরা যেভাবে শট দিতে বলে, আমি সেভাবেই শট দিই। ২০০৪-এর পর আমার মিউজিক ভিডিওতে লম্বা বিরতি ছিল। এখন আবার পুরোদমে শুরু।
প্রথম পারিশ্রমিক : প্রথম পারিশ্রমিক ছিল তিন হাজার টাকা। চলচ্চিত্রের গান গেয়ে টাকাটা পেয়েছিলাম। গানের শিরোনাম ‘আমারই ভাগ্যে তোমারই নাম’। ছবির নাম ছিল ‘রাজা নাম্বার ওয়ান’। ছবিতে আমার গাওয়া গানের সঙ্গে ঠোঁট মিলিয়ে ছিলেন নায়ক মান্না ভাই। গানটির রেকর্ডিং করতে আমার বেশি সময় লাগে নেই। এখনো গান রেকর্ডিংয়ে আমার বেশি সময় লাগে না।
প্রথম পারিশ্রমিকের টাকা নিজের জন্য খরচ করেছিলাম। তখন আমার অর্থের টানাটানি ছিল। এমনকি নিজের খাওয়ার মতো যথেষ্ট টাকা ছিল না।
প্রথম পড়া বই : আমাদের বাসায় সবার পড়াশোনার নেশা ছিল। প্রতিদিন পত্রিকা পড়ার নেশা ছিল আমার। পত্রিকাও এক ধরনের বই আমার মনে হয়। আর শৈশবে সত্যজিৎ রায় এবং তারাশংকরের বই অনেক পড়েছি। ছোটবেলায় বই পড়ার পাশাপাশি খেলাধুলা করতেও আমি পছন্দ করতাম। পাড়ায় ছেলেদের সাথে প্রচুর খেলেছি।

নাইস নূর