১১ বছরে বৈশাখী টেলিভিশন
আজ ২৭ ডিসেম্বর ১১ বছরে পা দিল বেসরকারি স্যাটেলাইট চ্যানেল বৈশাখী টিভি। এ উপলক্ষে বাণী দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী, বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদ, তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু ও বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।
বাণীতে বৈশাখী টেলিভিশনের উত্তরোত্তর সফলতা কামনা করেছেন তাঁরা। সব সংকট অতিক্রম করে বৈশাখী টেলিভিশন অনেক দূর এগিয়ে যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন তাঁরা। একই সঙ্গে তাঁরা প্রত্যাশা করেন, অতীতের মতো ভবিষ্যতেও বাংলাদেশের শিল্প-সংস্কৃতি ও সাংবাদিকতার বিকাশে বৈশাখী টেলিভিশন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
.jpg)
আজ রোববার বেলা ১১টায় জাতীয় সংসদের এলডি হলে দ্বিতীয় দফায় কেক কাটেন জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। এ সময় মন্ত্রিপরিষদ সদস্য, রাজনীতিবিদ, শিল্প ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের বিশিষ্টজন উপস্থিত ছিলেন। আজ বেলা ১১টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত জাতীয় সংসদের এলডি হলে চলবে মিলনমেলার আয়োজন। আর দিনব্যাপী টেলিভিশনে সরাসরি সম্প্রচারিত হবে নানা অনুষ্ঠান।
২০০৪ সালে বৈশাখী টেলিভিশনের যাত্রা শুরু হলেও ২০১০ সাল থেকে নতুন আঙ্গিকে যাত্রা শুরু করে বৈশাখী। নতুন নেতৃত্ব ও লোগো পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে দর্শক সমাদৃত হয়ে ওঠে বৈশাখী টিভি।
নানা চড়াই-উতরাই, সাফল্য ও সংকটে বৈশাখীর সঙ্গে থাকার জন্য দর্শক, বিজ্ঞাপনদাতা, ক্যাবল অপারেটর ও শুভানুধ্যায়ীদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন বৈশাখী টেলিভিশনের প্রধান সম্পাদক ও উপব্যবস্থাপনা পরিচালক টিপু আলম।

ফিচার ডেস্ক