মাহফুজ-পূর্ণিমার ‘লাভ অ্যান্ড কোং’
নির্মাতা মাসুদ সেজান এবারে ঈদে একাধিক নাটক টেলিফিল্ম নিয়ে দর্শকদের সামনে হাজির হচ্ছেন। এরই মধ্যে পূর্ণিমা-মাহফুজ আহম্মেদকে নিয়ে এনটিভির জন্য নির্মাণ করেছেন ৭ পর্বের বিশেষ ধারাবাহিক নাটক ‘লাভ অ্যান্ড কোং’। নাটকটি রচনাও করেছেন মাসুদ সেজান।
এনটিভি অনলাইনকে মাসুদ সেজান বলেন, ‘আমি সব সময় তারকা নির্ভর কাজ করতে পছন্দ করি। এর কারণ হচ্ছে ভালো একটি কাজ করতে গেলে ভালো শিল্পী প্রয়োজন হয়। আর যারা ভালো কাজ করতে পারে তারা এমনিতেই তারকা হয়ে যায়।’
নাটকের গল্পটি সুমি আর আরিফ নামের দুজনকে নিয়ে। একদিন সুমি ছুটে আসে আরিফের কাছে। তার চোখে-মুখে আতঙ্ক। আরিফ হোটেলের বারান্দায় বসে প্রকৃতি দেখছিল। সুমিকে দেখেই তার মনে হলো কোনো ঝামেলা হয়েছে। প্রশ্ন করতেই সুমি হাউমাউ করে কেঁদে ফেলে। নবদম্পতির মিষ্টি হানিমুনটা নষ্ট করে দেয় জাফর। জাফরের কথা শুনেই কাঁদতে শুরু করে সুমি।
অন্যদিকে, জুঁই ও রন্টুর নতুন প্রেম। দুজন দুজনকে নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষার মধ্যে রাখে। আদৌ তারা সম্পর্ক রাখবে কি না, একটু যাচাই বাছাই করে নিতে চায়। চলার পথে আগামীর ভাবনায় দুজনের মাথা থেকেই একটি ভ্রমণের ভাবনা আসে। তারা এই ভ্রমণের নাম দেয় লাভ সেলিব্রেশন।
সিলেটের নির্জন একটি চা বাগান ঘেরা রিসোর্টে তাদের প্রথম সকালটা খুব ভালোভাবেই শুরু হয়েছিল কিন্তু হঠাৎ করেই জসিম উদ্দিন সব উল্টাপাল্টা করে দিল। এই লোক জুঁইয়ের বড় ভাই। মমতাজের সাথে তার দীর্ঘ ১২ বছরের সংসার। একটা সময়ে এসে মনে হয়েছে, মমতাজ তাকে একটুও ভালোবাসে না, বরং ঘৃণার পরিমাণ দিনে দিনে বেড়ে চলেছে। মমতাজ যখন ডিভোর্স দেওয়ার চূড়ান্ত প্রস্তুতি নিয়েছে, জসিম উদ্দিন ফাঁসির আসামির শেষ ইচ্ছে পূরণের আদলে মমতাজের সাথে একটা ভ্রমণ ভিক্ষা চায়। মমতাজ ১২ বছরের সুখ-দুঃখের সঙ্গী হিসেবে জসিমের এই আশাটা পূরণ করার সিদ্ধান্ত নেয়।
সেই রিসোর্টেই ভাই-ভাবি তাদের সম্পর্কের ইতি টানতে আসবে, জুঁই তা কল্পনাও করতে পারেনি। হঠাৎ ভাই-ভাবিকে দেখে প্রেমিক রন্টুকে নিয়ে সে এখন রীতিমতো টম এন্ড জেরির চরিত্রে ছুটোছুটি করছে।
নাটকে মাহফুজ আহমেদ, পূর্ণিমা ছাড়াও অভিনয় করেছেন ডা. এজাজ, শামীমা নাজনীন, মিশু সাব্বির, সাবিলা নূর, শাহরিয়ার নাজিম জয় প্রমুখ।


মাজহার বাবু