বাদ আসর জানাজা, নানাবাড়িতে দাফন হবে কারিনার
শোকের ভারে নুয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম। জনপ্রিয় কনটেন্ট নির্মাতা ও অভিনেত্রী কারিনা কায়সার–এর মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর ফেসবুকজুড়ে চলছে স্মৃতি, শোক আর বিদায়ের আবেগ। এক সময় যিনি ছিলেন অনলাইন দুনিয়ার প্রাণবন্ত মুখ, আজ তাকে ঘিরেই ভারী নীরবতা।
ভারতের চেন্নাইয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত শুক্রবার (১৫ মে) রাত সাড়ে ১১টার দিকে শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন কারিনা কায়সার। বিষয়টি নিশ্চিত করেন তাঁর বাবা, জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক খেলোয়াড় কায়সার হামিদ। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৩১ বছর।
মরদেহ দেশে আনার প্রক্রিয়া, জানাজা ও দাফন নিয়ে কথা বলেন কায়সার হামিদ। তিনি জানান, সব আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে রবিবার (১৭ মে) দুপুরে মরদেহ দেশে আনা হবে।
পরিবারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বাদ আসর ঢাকার ডিওএইচএস মাঠে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। পরে গজারিয়ার নানাবাড়িতে তাকে দাফন করা হবে।
চিকিৎসার বিস্তারিত তুলে ধরে কায়সার হামিদ জানান, ফুসফুসে অ্যান্টিবায়োটিক প্রয়োগের সময় হঠাৎ করেই কারিনার রক্তচাপ দ্রুত নেমে যায়। চিকিৎসকদের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা সত্ত্বেও শেষ পর্যন্ত তাকে আর ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়নি।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, শুরুতে জ্বর ও সংক্রমণ ধরা পড়লেও পরে পরিস্থিতি দ্রুত জটিল হয়ে ওঠে। হেপাটাইটিস এ ও ই–জনিত লিভার ফেইলিউর দেখা দিলে তাকে আইসিইউতে রাখা হয় এবং পরে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়।
এর আগে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন কারিনা। অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে তাকে চেন্নাই নেওয়া হয়। সেখানে ভেলোরের একটি হাসপাতালে চিকিৎসা চলছিল, যেখানে লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্টের প্রস্তুতিও চলছিল বলে জানা যায়।স

বিনোদন ডেস্ক