স্বাস্থ্যঝুঁকি
এখনো কি কোকা-কোলা খেয়ে যাচ্ছেন?
আমরা অনেকেই জানি, কোকা-কোলা বা পেপসিজাতীয় বিভিন্ন ধরনের কোমলপানীয় শরীরের জন্য ক্ষতিকর। কোকা-কোলার মধ্যে থাকা অতিরিক্ত মিষ্টির কারণে এটি পানের ১০ মিনিট পর বমি বা বমি বমি ভাব হতে পারে। এটি যকৃতের মধ্যে চর্বি তৈরি করে।
এর মধ্যে উচ্চমাত্রার কৃত্রিম চিনি থাকার জন্য রেচন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে শরীর থেকে ক্যালসিয়াম বের করে দেয়।
স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট হেলদি ফুড টিম প্রকাশ করেছে কোকা-কোলাসংক্রান্ত একটি ভিডিও। এখানে দেখানো হয়েছে একটি খোসাসহ সেদ্ধ ডিম এক বছর কোকা-কোলার মধ্যে রেখে দিলে এর কী হয়।
ভিডিওটিতে দেখা যায়, ২০০৭ সালের ৫ জানুয়ারি থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত একটি খোসাসহ সেদ্ধ ডিম কোকা-কোলার মধ্যে রাখা হয়।
জানেন তো, কোকা-কোলার উপাদানগুলো হলো ক্যাফেইন, সাইট্রেট ও সাইট্রিক এসিড। আরো রয়েছে ফসফরিক এসিড। আমরা জানি, ডিমের খোসা তৈরি হয় ক্যালসিয়াম, ফসফরাস ও সোডিয়াম দিয়ে। এক বছর পর দেখা যায়, ডিমের এই উপাদানগুলো ক্ষয়ে গেছে বা গলে অনেকাংশে মিশে গেছে পানীয়টির সঙ্গে।
তাই বিশেষজ্ঞরা বলেন, খুব বেশি কোকা-কোলা বা পেপসি খেলে অস্টিওপরোসিস বা হাড় ক্ষয় রোগ হতে পারে। ক্যালসিয়ামের শোষণের কারণে এ সমস্যা হয়। এ ছাড়া কোকা-কোলা খেলে দাঁত বাজেভাবে নষ্ট হতে পারে। তাই কোকা-কোলা বা এ ধরনের কোমলপানীয় থেকে আবারও সতর্ক হোন। যদি আপনি এখনো এসব পানীয় পান করে থাকেন, তাহলে দ্বিতীয়বার ভেবে দেখতে পারেন, কী প্রবেশ করছে শরীরে।

শাশ্বতী মাথিন