ডিএসই : দুই খাতে লেনদেন ২৭ শতাংশ, শীর্ষে ওষুধ
গেল সপ্তাহে (১১ থেকে ১৫ জানুয়ারি) দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে ওষুধ ও রসায়ন খাতের কোম্পানিগুলোর শেয়ার। এতে খাতটি লেনদেনের শীর্ষে অবস্থান করছে। পরবর্তী অবস্থানে রয়েছে সাধারণ বিমা খাত। এই দুই খাতে সম্মিলিতভাবে লেনদেন হয়েছে ২৬ দশমিক ৫৭ শতাংশ।
ডিএসইর ওয়েবসাইট সূত্রে জানা যায়, গত সপ্তাহে মোট লেনদেন হয়েছে এক হাজার ৯০০ কোটি ৬০ লাখ টাকা। এতে দৈনিক গড় লেনদেনের পরিমাণ ছিল ৩৮০ কোটি ১২ লাখ টাকা। পুঁজিবাজারে বর্তমানে ২১টি খাতে মোট ৪১৩টি প্রতিষ্ঠান তালিকাভুক্ত রয়েছে। এর মধ্যে ওষুধ রসায়ন ও সাধারণ বিমা— এই দুই খাতের ৭৭টি প্রতিষ্ঠানে লেনদেন হয়েছে ৫০৪ কোটি ৪৮ লাখ টাকা। বাকি ১৯টি খাতের ৩৩৬টি প্রতিষ্ঠানে লেনদেন হয়েছে এক হাজার ৩৯৬ কোটি ১২ লাখ টাকা।
শীর্ষ অবস্থানে থাকা ওষুধ ও রসায়ন খাতের ৩৪টি প্রতিষ্ঠানে মোট লেনদেন হয়েছে ২৭১ কোটি ৩৫ লাখ টাকা। এই খাতে দৈনিক গড় লেনদেনের পরিমাণ ছিল ৫৪ কোটি ২৭ লাখ টাকা, যা ডিএসইর মোট লেনদেনের ১৪ দশমিক ২৯ শতাংশ। লেনদেনে দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা সাধারণ বিমা খাতের ৪৩টি প্রতিষ্ঠানে লেনদেন হয়েছে ২৩৩ কোটি ১৩ লাখ টাকার শেয়ার, যা মোট লেনদেনের ১২ দশমিক ২৮ শতাংশ। তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে বস্ত্র খাত। এই খাতের ৫৮টি প্রতিষ্ঠানে ২২৭ কোটি ৫৩ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে, যা মোট লেনদেনের ১১ দশমিক ৯৮ শতাংশ। চতুর্থ অবস্থানে থাকা ব্যাংক খাতের ৩৬টি প্রতিষ্ঠানে ২২৬ কোটি ৬৪ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে, যা মোট লেনদেনের ১১ দশমিক ৯৩ শতাংশ।
এছাড়া অন্যান্য খাতের মধ্যে খাদ্য ও আনুষঙ্গিক খাতে ৯ দশমিক ৮০ শতাংশ, প্রকৌশল খাতে আট দশমিক ৬৮ শতাংশ, জ্বালানি ও শক্তি খাতে পাঁচ দশমিক ৩৬ শতাংশ, জীবন বিমা খাতে পাঁচ দশমিক ৩২ শতাংশ, বিবিধ খাতে চার দশমিক ৯৯ শতাংশ, টেলিকম খাতে দুই দশমিক ৫৩ শতাংশ, পেপার ও প্রিন্টিং খাতে দুই দশমিক ৩৬ শতাংশ, আইটি খাতে দুই দশমিক ১৪ শতাংশ লেনদেন হয়েছে।
মিউচুয়াল ফান্ড খাতে এক দশমিক ৬০ শতাংশ, সেবা ও আবাসন খাতে এক দশমিক ৪৫ শতাংশ, সিরামিক খাতে এক দশমিক ২৮ শতাংশ লেনদেন হয়েছে। বাকি খাতগুলোর মধ্যে নন-ব্যাংকিং আর্থিক খাতে এক দশমিক ২৭ শতাংশ, চামড়া খাতে এক দশমিক শূন্য ছয় শতাংশ, ভ্রমণ ও অবকাশ খাতে শূন্য দশমিক ৫৬ শতাংশ, সিমেন্ট খাতে শূন্য দশমিক ৪৬ শতাংশ, পাট খাতে শূন্য দশমিক ২৯ শতাংশ এবং করপোরেট বন্ড খাতে শূন্য দশমিক ৩৭ শতাংশ লেনদেন সম্পন্ন হয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক