সিলেটকে বিদায় করে শীর্ষে রাজশাহী
ব্যাট হাতে রাজশাহীকে দারুণ সূচনা এনে দিলেন আফিফ হোসেন। সঙ্গে দুর্দান্ত ছিলেন লিটন দাসও। দুই ওপেনারের দৃঢ়তায় সিলেট থান্ডারের ছোট লক্ষ্য সহজেই টপকে যায় রাজশাহী রয়্যালস। তুলে নেয় ছয় উইকেটের দারুণ জয়।
সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে আগে ব্যাট করে নির্ধারিত ওভারে ১৪৩ রান করে সিলেট থান্ডার। জবাবে ব্যাট করতে নেমে ২৯ বল হাতে রেখেই জয় তুলে নেয় রাজশাহী রয়্যালস।
এই জয়ের সুবাদে সমান ১৪ পয়েন্ট নিয়ে নেট রান রেটে এগিয়ে থেকে চট্টগ্রামকে সরিয়ে শীর্ষস্থান দখল করল রাজশাহী রয়্যালস। অন্যদিকে হারতে থাকা সিলেট থান্ডার এরই মধ্যে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিয়েছে। ১১ ম্যাচ খেলে মাত্র একটিতে জয় পেয়েছে সিলেট।
এদিন টস জিতে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই নড়বড়ে ছিল সিলেট। ঘরের মাঠে এই ম্যাচেও জ্বলে উঠতে পারেননি ক্রিকেটাররা। চতুর্থ ওভারেই আউট হন ওপেনার আব্দুল মাজিদ। ১১ বলে ১৬ রান করে বিদায় নেন তিনি। ষষ্ঠ ওভারে ফিরেছেন জনসন চার্লস। এরপর ২৫ রানে বিদায় নেন অধিনায়ক ফ্লেচার।
সতীর্থদের আশা-যাওয়ার মাঝে ব্যাট হাতে কেবল লড়াই করেছেন মিঠুন। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৪৭ রান করেন তিনি। ৩৮ বলে তাঁর ইনিংসটি সাজানো ছিল তিন বাউন্ডারি আর দুই ছক্কায়। ১৬তম ওভারে রান আউট হয়ে বিদায় নেন তিনি। এরপর অবশ্য কেউ হাল ধরতে পারেননি। ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতায় নির্ধারিত ওভারে ১৪৩ রানে থেমে যায় সিলেট থান্ডার।
১৪৪ রানের ছোট লক্ষ্যের বিপরীতে নেমে শুরু থেকেই দুর্দান্ত ছিল রাজশাহী। ওপেনিং জুটিতে ৫৯ রান তোলে দুই ওপেনার লিটন-আফিফ। ২০ বলে ৩৬ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে আউট হন লিটন। ৩০ বলে দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৪৬ রান করে আউট হন আফিফ। দুই ওপেনার ফিরলে মালিক-নেওয়াজের ব্যাটে জয় তুলে নেয় রাজশাহী। ২৭ রান করেন মালিক, অন্যদিকে ১৭ রানে অপরাজিত ছিলেন নেওয়াজ।
সিলেট থান্ডার : ১৪৩/৬ ( ফ্লেচার ২৫, আবদুল মাজিদ ১৬, চার্লস ৮, মিঠুন ৪৭, রাদাফোর্ড ২৫, সোহাগ গাজী ০, মিলন ১৩, দেলোয়ার ২; নেওয়াজ ৪-০-১৫-০, রাহী ৪-০-২৯-১, ইরফান ৪-০-১৮-১, রাব্বি ৪-০-২৮-০, ফরহাদ ১-০-১১-০, মালিক ১-০-১৯-০, অলোক ১-০-১৪-০)।
রাজশাহী রয়্যালস : ১৪৫/৪ (লিটন দাস ৩৬, আফিফ ৪৬, মালিক ২৭, বোপারা ১, ইরফান ১০, নেওয়াজ ১৭, এবাদত ৩-০-৩২-০, নাভিন ৩-০-৩৪-০, রাদারফোর্ড ৪-০-৩১-১, নাজমুল ৩-০-৩৬-০, দেলোয়ার ২.১-০-১১-২ )।
ফল : ছয় উইকেটে জয়ী রাজশায়ী রয়্যালস।

স্পোর্টস ডেস্ক