বার্সেলোনাকে হারতে দেখে খুশি রামোস
চ্যাম্পিয়নস লিগে নকআউট পর্বের শুরুটা দারুণভাবে করেছে রিয়াল মাদ্রিদ। নাপোলির বিপক্ষে প্রথম লেগের ম্যাচে পেয়েছে ৩-১ গোলের জয়। সহজ এই জয় দিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালের পথেও অনেকখানিই এগিয়ে গেছে জিনেদিন জিদানের শিষ্যরা। দলের এই জয়ে স্বাভাবিকভাবেই বেশ খুশি অধিনায়ক সার্জিও রামোস। তবে তাঁর আনন্দটা দ্বিগুন হয়ে গেছে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী বার্সেলোনাকে হারতে দেখে। প্যারিস সেইন্ট জার্মেইনের বিপক্ষে ৪-০ গোলের বড় ব্যবধানে হারের পর চ্যাম্পিয়নস লিগ থেকে বিদায় প্রায় নিশ্চিতই হয়ে গেছে কাতালানদের।
২০১৩ ও ২০১৫ সালের কোয়ার্টার ফাইনালে বার্সেলোনার কাছে হেরেই বিদায় নিতে হয়েছিল প্যারিস সেইন্ট জার্মেইনকে। এবারও শেষ ষেলোর লড়াইয়ে বার্সাকেই ফেভারিট ধরে নিয়েছিলেন অনেকে। কিন্তু সবাইকে চমকে দিয়ে ৪-০ গোলের দাপুটে জয় তুলে নিয়েছে পিএসজি। নিজেদের মাঠে দ্বিতীয় লেগের ম্যাচে অবিশ্বাস্য রকমের পারফরম্যান্স দেখাতে না পারলে ২০০৭ সালের পর এবারই প্রথমবারের মতো নকআউট পর্বের শুরুতেই বিদায় নিতে হবে বার্সাকে। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীদের এমন বেহাল অবস্থা দেখে যে খুবই খুশি হয়েছেন, তা অকপটেই স্বীকার করেছেন রিয়াল মাদ্রিদের অধিনায়ক রামোস। বার্সার জয়ে খুশি হয়েছেন কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেছেন, ‘আমি না বলব না। বন্ধুদের কষ্ট পেতে দেখলে খারাপ লাগে। কিন্তু অবশ্যই আমি চাই না যে, বার্সেলোনা জিতুক।’
বার্সেলোনার এমন হতাশাজনক হারে অনেকেই অবাক হলেও রামোস সেই দলে নেই বলেই জানিয়েছেন, ‘আমি অবাক হইনি। চ্যাম্পিয়নস লিগে যে কোনো দলকেই খারাপ খেলার মূল্য দিতে হয়। পিএসজি দারুণ খেলেছে। বার্সেলোনাকে সব সময় রেখেছে চাপের মুখে।’
বার্সেলোনার হতাশাজনক হারের পরের দিনই রিয়াল মাদ্রিদ নাপোলির বিপক্ষে পেয়েছে ৩-১ গোলের সহজ জয়। তবে ম্যাচের শেষপর্যায়ে কিছুটা ব্যাথা নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছে রামোসকে। তবে সেটা গুরুতর কিছু না বলেই আশা করছেন এই স্প্যানিশ ডিফেন্ডার, ‘কিছুটা আঘাত পেয়েছি। চেষ্টা করেছি যতক্ষণ পারা যায়, খেলে যেতে। আশা করছি এটা গুরুতর কিছু না।’

স্পোর্টস ডেস্ক