রুটের অনুপ্রেরণা স্মিথ-কোহলি
বিরাট কোহলি, স্টিভেন স্মিথ, কেইন উইলিয়ামসন, জো রুট; ব্যাটিংয়ের কারণে আগে থেকেই এই চারজন ছিলেন এক কাতারে। নিঃসন্দেহেই তাঁরা এ সময়ের অন্যতম সেরা চার টেস্ট ব্যাটসম্যান। তবে প্রথম তিনজনের সঙ্গে এত দিন একটা জায়গায় মিলতে পারেননি রুট। তাঁর কাঁধে ছিল না অধিনায়কত্বের দায়িত্ব।
স্মিথ-কোহলিদের সঙ্গে সেই দূরত্বও এবার আর থাকছে না রুটের। অ্যালিস্টার কুক সরে দাঁড়ানোর পর রুটই হয়েছেন ইংল্যান্ডের নতুন টেস্ট অধিনায়ক। আর স্মিথ-কোহলিরা নেতৃত্বের গুরুদায়িত্ব সামলেও যেভাবে ব্যাট হাতে একের পর এক অসাধারণ সব ইনিংস খেলে চলেছেন, সেখান থেকেই অনুপ্রেরণা খুঁজছেন রুট।
টেস্ট ক্রিকেটে রুট এখন ইংল্যান্ডের অন্যতম ব্যাটিং ভরসা। ৫৩টি টেস্টে প্রায় ৫৩ গড়ে রুট করেছেন ৪৫৯৪ রান। তবে অধিনায়কত্বের গুরুদায়িত্ব কাঁধে নেওয়ার প্রভাবটা তাঁর ব্যাটিংয়ে নেতিবাচকভাবে পড়বে কি না, তা নিয়ে সংশয়ে আছেন অনেকে। সাবেক ইংলিশ ক্রিকেটার গ্রায়েম সোয়ানও তুলেছেন এমন প্রশ্ন। যদিও সেই শঙ্কার কথা মাথাতেই আনতে চাইছেন না রুট। আর এ ক্ষেত্রে তিনি সামনে রাখছেন কোহলি আর স্মিথের দৃষ্টান্ত। গতকাল বুধবার এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, ‘অধিনায়কত্বটা আমার জন্য অনুপ্রেরণা হিসেবেই কাজ করবে। দলকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য আমি চেষ্টা করব আমার ব্যাটিংটা সর্বোচ্চ পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার। বিরাট ও স্টিভেন স্মিথও একই রকম দায়িত্ব নিয়েছে। আর অধিনায়ক হওয়ার পর তারা ব্যাট হাতে আরো ভালো করছে। নিজেদের নিয়ে গেছে নতুন উচ্চতায়। আমিও সেই রকম কিছু করতে পারব না কেন, তার কোনো কারণ দেখছি না।’
অধিনায়ক হওয়ার পর সত্যিই কোহলি আর স্মিথ নিজেদের নিয়ে গেছেন নতুন উচ্চতায়। অধিনায়কত্ব পাওয়ার আগে টেস্টে কোহলির ব্যাটিং গড় ছিল ৪১। আর নেতৃত্ব পাওয়ার পর সেটি দাঁড়িয়েছে ৬৭। অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক স্টিভেন স্মিথের ক্ষেত্রেও ঘটেছে একই ঘটনা। অধিনায়কত্ব পাওয়ার আগে ও পড়ে স্মিথের ব্যাটিং গড় ৫৩ ও ৭১।
আগামী জুলাইয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে চার ম্যাচের টেস্ট সিরিজ দিয়ে ইংল্যান্ডের অধিনায়ক হিসেবে যাত্রা শুরু করবেন রুট।

স্পোর্টস ডেস্ক