কেউ মনে রাখেনি রানাকে
২০০৭ বিশ্বকাপ চলছিল তখন। পরদিন আসরে নিজেদের প্রথম ম্যাচে ভারতের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি নিচ্ছেলেন মাশরাফি-সাকিব-তামিমরা। হাজার মাইল দূরে ওয়েস্ট ইন্ডিজে বসে তখনই একটা দুঃসংবাদ পেলেন বাংলাদেশ দলের খেলোয়াড়রা। দেশে সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যান তরুণ দুই ক্রিকেটার, মানজারুল ইসলাম রানা ও সাজ্জাদুল হাসান সেতু। বাংলাদেশের ক্রিকেটাঙ্গন তখন স্তব্ধ হয়ে পড়ে এই দুঃসংবাদে।
সেই শোককে শক্তিতে পরিণত করে পরদিন ভারতকে হারিয়ে ক্রিকেট-বিশ্বে হৈচৈ ফেলে দিয়েছিল বাংলাদেশ। ভারতকে পাঁচ উইকেটে হারিয়ে বিশ্বকাপে দারুণ সূচনা করেছিল বাংলাদেশ।
আজ থেকে এক দশক আগে ঠিক এই দিনেই, খুলনার ডুমুরিয়ায় মর্মান্তিক মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়েছিল রানা ও সেতুর। আজ রানার মৃত্যুর এক দশক পূর্ণ হয়েছে।
শ্রীলঙ্কায় বাংলাদেশ দল এখন শততম টেস্ট খেলতে ব্যস্ত। কিন্তু জাতীয় দলের সাবেক এই ক্রিকেটারকে যেন সবাই ভুলতে বসেছে। কেউ মনে রাখেনি তাঁদের।
রানা জাতীয় দলের হয়ে ছয়টি টেস্ট ও ২৫টি ওয়ানডে ম্যাচ খেলেছিলেন। টেস্টে ব্যাটহাতে ২৫৭ রান ও ওয়ানডেতে ৩৩১ রান করেন তিনি। আর ওয়ানডেতে বলহাতে ২৩ উইকেট এবং টেস্টে পাঁচ উইকেট পান তিনি। সেতু জাতীয় দলে সুযোগ পাননি।

ক্রীড়া প্রতিবেদক