বিশ্বকাপ শুরুর দিনে বাংলাদেশ দলের প্রতি জামায়াত আমিরের বার্তা
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দশম আসর শুরু হয়েছে আজ শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) থেকে। প্রথম দিনেই মাঠে নামার কথা ছিল বাংলাদেশ দলের। কিন্তু, সেটি আর হচ্ছে না। এবার যে বিশ্বকাপেই নেই বাংলাদেশ। লাল-সবুজের পতাকা উড়বে না ক্রিকেটের বিশ্ব আসরে। ভক্তদের জন্য এটি মন খারাপ হওয়ার মতো ব্যাপারই।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানও বুঝেছেন ভক্তদের ব্যথা। বিশ্বকাপ শুরুর দিনে আজ নিজের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে একটি পোস্ট করেছেন তিনি। সেখানে সম্মান ও মর্যাদার কথা তুলে ধরে সমবেদনা প্রকাশ করেন জামায়াত আমির।
শফিকুর রহমান বলেন– ‘প্রিয় ক্রিকেটপ্রেমী বন্ধুরা, আজ আইসিসি টি-২০ বিশ্বকাপ শুরু হলো। এমন দিনে স্বাভাবিকভাবেই আমাদের চোখ থাকতো টিভি স্ক্রিনে, সবাই অপেক্ষা করতাম টাইগারদের মাঠের লড়াই আর বিজয়ের আনন্দ দেখতে। দুঃখের বিষয়, এই আন্তর্জাতিক মঞ্চে আজ বাংলাদেশের অংশগ্রহণের কথা থাকলেও আমরা সেই অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছি। আমাদের ক্রিকেটারদের সাথে জাতিকেও অপমান করা হয়েছে। লাল-সবুজের হয়ে উল্লাস করার মুহূর্ত থেকে আমাদেরকে পরিকল্পিতভাবে দূরে রাখা হলো।’
ক্রিকেটারদের উদ্দেশে জামায়াতে ইসলামীর আমির বলেন– ‘প্রিয় ক্রিকেটার ভাইয়েরা, আমি তোমাদের সাথে সমব্যথী। দেশের মর্যাদা, দেশের স্বপ্নের সাথে কোনো আপোষ নয়। কোনো আধিপত্যবাদী শক্তির কাছে আমরা হার মানতে পারি না। দৃঢ়ভাবে বলতে চাই, বাংলাদেশকে আমরা আন্তর্জাতিক ইভেন্টে মর্যাদার আসনে নিয়ে যাবো, ইনশাআল্লাহ। বাংলাদেশ ফিরবে মাথা উঁচু করে— গর্ব নিয়ে, শক্তি নিয়ে, সম্মান নিয়ে। চলো একসাথে গড়ি বাংলাদেশ।’
১৯৯৯ সালে প্রথমবার বিশ্বকাপে অংশ নেয় বাংলাদেশ। এরপর ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি মিলিয়ে ১৫টি বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে (ওয়ানডে ৬টি, টি-টোয়েন্টি ৯টি)। সবকটিতে বাংলাদেশ ছিল। অধিনায়কের ফটোসেশনে লাল-সবুজের প্রতিনিধি ছিলেন, ছিল লাল-সবুজ পতাকা। যদি এমন হতো, বাছাইপর্ব পার হতে পারেনি বাংলাদেশ, মানা যেত। কিন্তু, নিজেদের ওপরে রাখতেই কি না বাংলাদেশের নিরাপত্তা শঙ্কাকেও আমলে নেয়নি আইসিসি। তাই, প্রথম ওয়ানডে বিশ্বকাপের ২৭ এবং টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ১৯ বছর পর বাংলাদেশকে ছাড়াই চলছে বিশ্বসেরা হওয়ার লড়াই।

স্পোর্টস ডেস্ক