শেষ ওভারের নাটকীয়তায় হারল সাকিবের কলকাতা
ম্যাচটা প্রায় পকেটে পুরেই ফেলেছিল কলকাতা নাইট রাইডার্স। শেষ তিন ওভারে জয়ের জন্য মুম্বাইয়ের দরকার ছিল ৪৯ রান। ১৮তম ওভারে ট্রেন্ট বোল্ট একাই দিলেন ১৯! অঙ্কিত রাজপুতের পরের ওভারে এলো ১৮ রান। তাই শেষ ওভারে জয়ের জন্য মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের দরকার ছিল মাত্র ১১ রান। ট্রেন্ট বোল্টের প্রথম বলে লেগসাইট থেকে দুই রান নেন হার্দিক পান্ডিয়া। পরের বলটায় দৃষ্টিকটুভাবে ফিল্ডিং মিস করে চার রান দেন সূর্যকুমার যাদব। বোল্টের তৃতীয় বলটায় কোনো রান না এলে খেলা জয়ে যায়। তবে চতুর্থ বলে সহজ ক্যাচ ছেড়ে দেন রিশি ধাওয়ান। আর এখানেই ম্যাচ থেকে বের হয়ে যায় কলকাতা। পঞ্চম বলটাকে সীমানা ছাড়া করে এবারের আইপিএলে ইন্ডিয়ান্সদের প্রথম জয় নিশ্চিত করেন পান্ডিয়া।
আইপিএলের সপ্তম ম্যাচে সাকিবের কলকাতাকে চার উইকেটে হারাল রোহিত শর্মার মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স। কলকাতার দেওয়া ১৭৮ রানের জবাবে এক বল হাতে রেখে জয় নিশ্চিত করে মুম্বাই।
প্রথম ম্যচের মতো এই ম্যাচেও সাকিবকে ছাড়াই খেলতে নামে কলকাতা। তাতে অবশ্য খারাপ খেলছিলেন না গম্ভীরের দল। ১৭৯ রানের জবাবে ৬৫ রানের উদ্বোধনী জুটি গড়েছিলেন জস বাটলার ও পার্থিব প্যাটেল। এরপরই খেলায় ফেরে কেকেআর। ১১৯ রানের মধ্যে মুম্বাইয়ের টপ অর্ডার গুঁড়িয়ে দেন নারাইন-রাজপুতরা। তবে নিতিশ রানার ব্যাটে জয়ের দিকে এগাতে থাকে মুম্বাই। ২৯ বলে ৫টি চার আর তিনটি ছক্কায় ৫০ রান করে কলকাতাকে বিপদে ফেলে দেন তরুণ এই ব্যাটসম্যান। আর শেষে দুই ওভারে ১১ বলে তিনটি চার আর দুটি ছক্কায় ২৯ রান করে দলকে জিতিয়ে দেন হার্দিক পান্ডিয়া। কলকাতার অঙ্কিত রাজপুত নেন তিনটি উইকেট।
এর আগে মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে আগে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৭৮ রান তোলে সাকিবহীন কলকাতা।
প্রথম ম্যাচে উদ্বোধনী উইকেটে ঝড় তুললেও এই ম্যাচে ১৩ বলে মাত্র ১৯ রান করে বিদায় নেন অধিনায়ক গৌতম গম্ভীর। এদিন ক্রিস লিন ২৪ বলে করেন ৩২ রান। কিছু করতে পারেননি রবীন উথাপ্পা ও ইউসুফ পাঠান। উথাপ্পা ৪ ও ইউসুফ পাঠানও করেন ৬ রান। তবে মনীষ পান্ডের ব্যাটে ১৭৮ রানের বড় সংগ্রহ গড়ে কলকাতা। ৪৭ বলে পাঁচটি চার ও সমান সংখ্যক ছয়ে ৮১ রান করে অপরাজিত থাকেন পান্ডে। এ ছাড়া ১৭ রান করেন সূর্যকুমার যাদব। ক্রুনাল পান্ডে তিনটি, লাসিথ মালিঙ্গা দুটি উইকেট নেন।

স্পোর্টস ডেস্ক