সাদমান-মুমিনুলের বদলে যাওয়া ব্যাটিংয়ের রহস্য ঢাকা অস্ট্রেলিয়ায়
জাতীয় দল থেকে বয়সভিত্তিক দল, টপঅর্ডার থেকে মিডল অর্ডার— সবই বদলায় কিন্তু বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ের চিত্র যেন বদলায় না। তবে সিলেট টেস্টে দেখা গেল ভিন্ন চিত্র। বদলেছে সেই চিত্র। গত কয়েক বছরের ব্যর্থতা ঝেড়ে ফেলে রানে ফিরেছেন বাংলাদেশের টপঅর্ডার ব্যাটাররা। প্রথম ও দ্বিতীয় উইকেট জুটি ছাড়িয়েছে একশ রানের গণ্ডি।
এরপর স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠতে পারে, হঠাৎ এমন পরিবর্তনের পেছনের কারণ কি? দ্বিতীয় দিন শেষে সংবাদ সম্মেলনে সেই প্রশ্নের উত্তর কিছুটা পাওয়া গেলো। আজ বুধবার (১২ নভেম্বর) সংবাদ সম্মেলনে এসেছিলেন ওপেনার সাদমান ইসলাম। সেখানেই জানা গেলো বদলে যাওয়া ব্যাটিংয়ের গল্প।
বাংলাদেশ ওপেনিং জুটিতে তুলেছিল ১৬৮ রান। সেঞ্চুরির আশা জাগিয়েছিলেন সাদমান ইসলাম। যদিও তিনি সেই আশাকে পূর্ণতা দিতে পারেননি। ফিরেছেন এক ছক্কা আর ৯ চারে ১০৪ বলে ৮০ রান করে। তিন নম্বরে দারুণ ব্যাটিং করছেন মুমিনুল হকও। ২ ছক্কা আর ৫ চারে ১২৪ বলে ৮০ রান করে অপরাজিত আছেন তিনি।
এমন সাফল্যের একটি কারণ অবশ্যই সিলেটের ব্যাটিং উইকেট। চা-বাগানের মাঝে সব সময়ই ব্যাটাররা রান করেন। কিন্তু চলতি বছরের শুরুতে এই উইকেটেও জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে হা-হুতাশ করতে দেখা গেছে তাদের। ফলে অন্য কোনো কারণ আছে কি-না, মনের কোনো প্রশ্নের উঁকি দিলে—উত্তর হবে হ্যাঁ আছে।
ব্যর্থতার বৃত্ত থেকে ফিরতে বাংলাদেশের ক্রিকেটে সাধারণত যে, চিত্র দেখা যায় না সেটিই করেছিলেন সাদমান-মুমিনুল। ব্যক্তিগত উদ্যোগে অস্ট্রেলিয়া গিয়েছিলেন জাতীয় দলের সাবেক শ্রীলঙ্কান কোচ হাথুরুসিংহের কাছে দীক্ষা নিতে।
সেখানে গিয়ে ব্যাটিংয়ে কোনো পরিবর্তন এসেছে কি-না, এমন প্রশ্নের জবাবে সাদমান বলেন, ‘ওখানে যাওয়াটা ছিল ওদের কন্ডিশনের জন্য যাওয়া। সিডনির পিচ ব্যবহারের জন্য। ও (হাথুরুসিংহে) ছাড়া ওখানে যাওয়ার কোনো সুযোগ ছিল না। তো ওখানে গিয়ে কথা বলেছি-কীভাবে ব্যাটিং করা যায়, কীভাবে রান বড় করা যায়, কীভাবে একটু খেলা চেঞ্জ করা যায় এগুলোই।’

স্পোর্টস ডেস্ক