বিশ্বকাপ বয়কট করলে বড় আর্থিক ক্ষতির শঙ্কায় পাকিস্তান
বাংলাদেশের পর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বয়কটের দ্বারপ্রান্তে পাকিস্তান। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আগামী ২ ফেব্রুয়ারি বিশ্বকাপে খেলার ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেবে দেশটির সরকার। এখন পর্যন্ত তাদের অবস্থান বয়কটের দিকেই।
বিশ্বকাপ বয়কট করলে অবশ্য পাকিস্তানকে মুখোমুখি হতে হবে আর্থিক ক্ষতির। সেই অঙ্কটাও যেনতেন নয়, চোখ কপালে তোলার মতো। ভারতের একাধিক সংবাদমাধ্যম সেই অঙ্কটা প্রকাশ করেছে।
ফার্স্টপোস্টের প্রতিবেদন অনুসারে, বিশ্বকাপ বয়কট করলে পাকিস্তানের ক্ষতি হবে ৩৪.৫ মিলিয়ন ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা প্রায় ৪১৮ কোটি ১৪ লক্ষ টাকা। জি নিউজ বলছে, পাকিস্তানের ক্ষতির অঙ্কটা ৩৮ মিলিয়ন ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা প্রায় ৪৬০ কোটি ৫৬ লক্ষ টাকা।
বিশ্বকাপে অংশ না নিলে আর্থিক ক্ষতি এতটুকুতেই থেমে থাকবে না। হারাবে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের রেভিনিউ, আইসিসি থেকে পাওয়া বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের ফিসহ আইসিসির ভবিষ্যৎ চক্র (ফিউচার সাইকেল) থেকে বর্তমানে যা আয় হয়, সেটিও কমার শঙ্কা রয়েছে।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে আইসিসি ও পিসিবির মধ্যকার দ্বন্দ্ব বেড়েছে। সম্প্রতি বাংলাদেশের সমর্থনে পিসিবি প্রধান মহসিন নাকভির করা এসব মন্তব্যে আইসিসি ক্ষুব্ধ হয়েছে বলে জানিয়েছে ভারতের একাধিক গণমাধ্যম।
এর আগে গত ২৪ জানুয়ারি পিসিবি প্রধান নাকভি জানিয়েছিলেন, বিশ্বকাপে না খেলার সিদ্ধান্ত নেবে পাকিস্তান সরকার। তিনি বলেছিলেন, ‘আমরা প্রধানমন্ত্রীর ফিরে আসার অপেক্ষা করছি।’ এর সঙ্গে তিনি যোগ করেন, প্রধানমন্ত্রী ফেরার পরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

স্পোর্টস ডেস্ক