শ্রীলঙ্কার কাছে হেরে অপেক্ষা বাড়াল বাংলাদেশ
আগের ম্যাচে প্রথমবারের মতো ওয়ানডেতে শ্রীলঙ্কা নারী দলকে হারিয়েছিল বাংলাদেশ। সুযোগ ছিল দ্বিতীয় ম্যাচে জিতে প্রথমবার সিরিজও জিতে নেওয়ার। কিন্তু ব্যাটিং ব্যর্থতায় সেটি আর হলো না। দ্বিতীয় ম্যাচে হেরে অপেক্ষা বাড়াল টাইগ্রেসরা।
আজ বুধবার (২২ এপ্রিল) রাজশাহী বিভগীয় স্টেডিয়ামে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ৪৫.৫ ওভারে সবগুলো উইকেট হারিয়ে ১৬৫ রানেই গুটিয়ে যায় বাংলাদেশ। জবাব দিতে নেমে ৩৮.২ ওভারে ৪ উইকেট হাতে রেখেই জয় তুলে নেয় লঙ্কানরা। এতে তিন ম্যাচ সিরিজ দাঁড়াল ১-১ ব্যবধানে।
স্বল্প রানের পুঁজি নিয়ে শুরুতেই উইকেট তুলে নিয়েছিল বাংলাদেশ। দলীয় ১৯ রানের মাথায় লঙ্কান ওপেনার হাসিনি পেরেরাকে ফেরান সুলতানা খাতুন। ফেরার আগে ২০ বলে ৫ রান করেন এই ওপেনার। তিন নম্বরে নেমে ভালো করতে পারেননি ইমেশা দুলানি (১৭ বলে ৮)।
বাংলাদেশের লড়াইটা ছিল এতটুকুই। ওপেনার চামারি আতাপাত্তু ৩৯ বলে ৪০ রান করে আশার বাতি জ্বেলে দিয়ে যান। চার নম্বরে নেমে হর্ষিতা সামারাবিক্রমা হাফসেঞ্চুরি তুলে নেন। ৭৬ বলে ৫০ রানের ইনিংস খেলেন তিনি।
এতেই লঙ্কানদের তরি তীরের দিকে যাত্রা করে। পাঁচ নম্বরে নামা হানসিমা করুণারত্নে ৬৪ বলে ৪০ রানের ইনিংস খেলে সেটিকে পূর্ণতা দেন। ১১.৪ ওভার বাকি থাকতেই জয় তুলে নেয় সফরকারীরা।
বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ চারটি উইকেট শিকার করেন নাহিদা আক্তার। একটি করে উইকেট যায় রিতুমনি আর সুলতানা খাতুনের ঝুঁলিতে।
এর আগে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই হোচট খায় বাংলাদেশ। মাত্র চার রানের মধ্যেই হারায় দুই উইকেট। ফিরে যান ওপেনার জুয়াইরিয়া ফেরদৌস (১১ বলে ২) আর তিনে নামা শারমিন আক্তার সুপ্তা (৬ বলে ০)।
চার নম্বরে নেমে দলের হাল ধরেন অধিনায়ক জ্যোতি। তাকে সঙ্গ দেন আরেক ওপেনার শারমিন সুলতানা। তৃতীয় উইকেটে এই জুটি থেকে আসে ৪৫ রান। ৩৯ বলে ২৫ রান করে শারমিন ফিরলে ভাঙে সেই জুটি।
এরপর দ্রুতই ফিরে যান সোবহানা মোস্তারি (১১ বলে ৫)। স্বর্ণা আক্তার (২২ বলে ১৬), রিতু মনি (১৮ বলে ১৭), নাহিদা আক্তার (৪১ বলে ২০), রাবেয়া খানরা (১৯ বলে ১৫) ভালো শুরু পেলেও ইনিংস বড় করতে পারেননি।
একপ্রান্ত আগলে রাখা জ্যোতিও হাফসেঞ্চুরি তুলে নিয়ে মাঝে ফিরে যান। ১০১ বল খেলে ৫৮ রান করেন তিনি।
সিরিজের প্রথম ম্যাচে দুইশর ওপরে রান তাড়া করে জেতা বাংলাদেশ এদিন পুরো পঞ্চাশ ওভারও খেলতে পারেনি। থেমেছে ১৬৫ রান করে।
শ্রীলঙ্কার হয়ে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট শিকার করেছেন চামারি আতাপাত্তু। সমান দুটি করে উইকেট নিয়েছেন মালকি মাদারা, নিমাশা মিপেজ ও ইনোকা রানাবীরার। একটি উইকেট গেছে কাভিসা দিলহারির ঝুঁলিতে।

স্পোর্টস ডেস্ক