‘সাত গোল’ খাওয়া কুরাসাও ইকুয়েডরকে হতাশ করে বিরতিতে গেল
বিশ্বকাপে প্রথম ম্যাচেই জার্মানির বিপক্ষে বিধ্বস্ত হয়েছিল কুরাসাও। একে একে সাতবার বল জড়িয়েছিল তাদের জালে। পরের ম্যাচেই সেখান থেকে ঘুরে দাঁড়িয়েছে দলটি। জমাট রক্ষণে প্রথমার্ধ শেষে ইকুয়েডরকে হতাশ করেছে তারা। অক্ষত রেখেছে জাল।
ফিফা ২০২৬ বিশ্বকাপের ‘ই’ গ্রুপের ম্যাচে আজ রোববার (২১ জুন) বাংলাদেশ সময় ভোর ৬টায় যুক্তরাষ্ট্রের কানসাস সিটিতে মুখোমুখি হয়েছে ইকুয়েডর ও কুরাসাও। গোলশূন্য সমতায় বিরতিতে গেছে দুই দল।
নকআউট পর্বে ওঠার আশা বাঁচিয়ে রাখতে জয় প্রয়োজন ইকুয়েডরের। সেই লক্ষ্য নিয়ে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে দেখা যায় দক্ষিণ আমেরিকার দলটিকে। অন্যদিকে, নিজেদের প্রথম বিশ্বকাপ খেলতে আসা কুরাসাও রক্ষণকে শক্ত রেখে পাল্টা আক্রমণের কৌশল নেয়।
প্রথমার্ধের বেশিরভাগ সময় বলের নিয়ন্ত্রণ ইকুয়েডরের পায়ে থাকলেও কুরাসাওয়ের সংগঠিত রক্ষণ ভাঙতে পারেননি এননার ভ্যালেন্সিয়া ও তার সতীর্থরা। কয়েকবার বিপজ্জনক আক্রমণ গড়ে তুললেও গোলের দেখা পায়নি ইকুয়েডর। কুরাসাও গোলরক্ষক এলয় রুম কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সেভ করে দলকে ম্যাচে রাখেন।
অন্যদিকে, কুরাসাওও মাঝে মাঝে পাল্টা আক্রমণে ওঠার চেষ্টা করেছে। জুনিনহো বাকুনা আক্রমণভাগে সক্রিয় ছিলেন, যদিও প্রথমার্ধের শেষদিকে চোটের কারণে মাঠ ছাড়তে হয় তাকে।
প্রথম ম্যাচে পরাজিত দুই দলের জন্যই ম্যাচটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই দ্বিতীয়ার্ধে জয়ের জন্য আরও আক্রমণাত্মক ফুটবল দেখা যেতে পারে। আপাতত বিরতিতে ০-০ গোলের সমতায় রয়েছে ইকুয়েডর ও কুরাসাও।

স্পোর্টস ডেস্ক