১৫ মাসের ওয়ারেন্টি দিচ্ছে হেলিও মোবাইল, বাড়ছে ব্যবহারকারীর নিশ্চয়তা
স্মার্টফোন কেনার ক্ষেত্রে সাধারণত স্পেসিফিকেশন, ক্যামেরা বা পারফরম্যান্সই বেশি গুরুত্ব পায়। তবে দীর্ঘমেয়াদি ব্যবহার অভিজ্ঞতায় ওয়ারেন্টির গুরুত্বও কম নয়। সেই জায়গায় ভিন্নধর্মী উদ্যোগ নিয়ে এসেছে হেলিও মোবাইল, যা বাজারে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
ব্র্যান্ডটি তাদের সব স্মার্টফোনের জন্য ১৫ মাসের এক্সটেন্ডেড ওয়ারেন্টি ঘোষণা করেছে, যেখানে বর্তমানে বাজারে ১২ মাসের ওয়ারেন্টিই প্রচলিত। সংখ্যাগতভাবে পার্থক্য তিন মাস হলেও ব্যবহারিক দিক থেকে এটি গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
বাস্তবে দেখা যায়, অনেক স্মার্টফোনেই এক বছর পার হওয়ার পর ছোটখাটো সমস্যা দেখা দেয়-ব্যাটারির চার্জ কমে যাওয়া, চার্জিং পোর্ট ঢিলে হয়ে যাওয়া বা ডিসপ্লেতে ত্রুটি। অতিরিক্ত এই তিন মাসের ওয়ারেন্টি সেই ‘পোস্ট-ওয়ারেন্টি’ ঝুঁকির একটি অংশ কভার করতে পারে।
হেলিও মোবাইলের এই সুবিধা সব মডেলের জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য-এন্ট্রি-লেভেল থেকে শুরু করে প্রিমিয়াম ডিভাইস পর্যন্ত। যেখানে অনেক ব্র্যান্ড উচ্চমূল্যের ডিভাইসে বাড়তি সুবিধা সীমাবদ্ধ রাখে, সেখানে এই সিদ্ধান্ত তুলনামূলকভাবে বেশি অন্তর্ভুক্তিমূলক।
এ উদ্যোগের পেছনে বাজার বাস্তবতাও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। বিশ্ববাজারে মোবাইল কম্পোনেন্টের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় নতুন ফোন কেনা অনেকের জন্য কঠিন হয়ে উঠছে। ফলে ব্যবহারকারীরা চান, কেনা ডিভাইসটি দীর্ঘদিন নিশ্চিন্তে ব্যবহার করা যায় এবং প্রয়োজন হলে দ্রুত সেবা পাওয়া যায়।
হেলিও মোবাইলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই উদ্যোগ ‘কাস্টমার এক্সপেরিয়েন্স’ উন্নয়নের অংশ। এটি একদিকে পণ্যের প্রতি আত্মবিশ্বাসের প্রতিফলন, অন্যদিকে বাজারে ভিন্নতা তৈরি করার কৌশল হিসেবেও দেখা হচ্ছে।
বর্তমানে স্মার্টফোন শুধু যোগাযোগের মাধ্যম নয়-কাজ, বিনোদন এমনকি আয়ের সঙ্গেও সরাসরি যুক্ত। ফলে ডিভাইসে যেকোনো সমস্যা ব্যবহারকারীর ওপর তাৎক্ষণিক প্রভাব ফেলে। এই প্রেক্ষাপটে বাড়তি তিন মাসের ওয়ারেন্টি ছোট হলেও এর বাস্তব গুরুত্ব অনেক।
বিশেষ করে মধ্যম বাজেটের ব্যবহারকারীদের জন্য এটি একটি ইতিবাচক খবর। এখন থেকে হেলিও মোবাইলের ফোন কিনলে ১৫ মাস পর্যন্ত বাড়তি নিশ্চিন্ততা পাওয়া যাবে।

এনটিভি অনলাইন ডেস্ক