অফ-রোড থেকে হাইওয়ে, এক্সপালস ২০০-এর সক্ষমতা যাচাইয়ে মিডিয়া টেস্ট রাইড
দেশের মোটরসাইকেলপ্রেমীদের সামনে অ্যাডভেঞ্চার রাইডিংয়ের নতুন অভিজ্ঞতা তুলে ধরতে এক্সপালস ২০০ সিরিজের বিশেষ মিডিয়া টেস্ট রাইড আয়োজন করেছে হিরো বাংলাদেশ।
সম্প্রতি বাজারে আসা এক্সপালস ২০০ ৪ভি এবং এক্সপালস ২০০ ৪ভি প্রো মডেলের সক্ষমতা, পারফরম্যান্স ও বাস্তব রাইডিং অভিজ্ঞতা তুলে ধরতেই এ আয়োজন করা হয়। এতে দেশের প্রিন্ট, টেলিভিশন ও ডিজিটাল গণমাধ্যমের সাংবাদিক ও প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো গণমাধ্যমের প্রতিনিধিদের জন্য এ ধরনের বিশেষ অ্যাডভেঞ্চার টেস্ট রাইডের আয়োজন করল প্রতিষ্ঠানটি। অংশগ্রহণকারীরা অন-রোড ও অফ-রোডসহ বিভিন্ন ধরনের রাস্তায় দুটি মোটরসাইকেল চালিয়ে সেগুলোর সক্ষমতা যাচাইয়ের সুযোগ পান।
টেস্ট রাইডে সাংবাদিকরা মোটরসাইকেল দুটির হ্যান্ডলিং, সাসপেনশন, ব্রেকিং, বিভিন্ন অ্যান্টি-লক ব্রেকিং সিস্টেম (এবিএস) মোড এবং রাইডিং ডায়নামিক্স সরাসরি পরীক্ষা করেন। বিশেষ করে অসমতল ও অফ-রোড পথে এক্সপালস ২০০ সিরিজের পারফরম্যান্স ছিল আয়োজনের অন্যতম আকর্ষণ।
এ ছাড়া অংশগ্রহণকারীরা অ্যাক্সিলারেশন, নিয়ন্ত্রণ, সাসপেনশন পারফরম্যান্স ও দীর্ঘ সময়ের রাইডিং কমফোর্ট সম্পর্কেও বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন করেন। এর মাধ্যমে শহরের নিয়মিত চলাচলের পাশাপাশি দীর্ঘ ভ্রমণ ও অ্যাডভেঞ্চার রাইডিংয়ে মোটরসাইকেল দুটির সম্ভাবনা তুলে ধরা হয়।
হিরো বাংলাদেশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, দেশের রাইডারদের মধ্যে অ্যাডভেঞ্চার ও নতুন জায়গা ঘুরে দেখার আগ্রহ বাড়ছে। এক্সপালস ২০০ সিরিজ সেই আগ্রহকে আরও এগিয়ে নিতে সক্ষম। গণমাধ্যমের প্রতিনিধিদের সরাসরি টেস্ট রাইডের সুযোগ দেওয়ার মাধ্যমে মোটরসাইকেল দুটির প্রকৃত সক্ষমতা ও রাইডিং অভিজ্ঞতা তুলে ধরাই ছিল আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য।
এক্সপালস ২০০ সিরিজে যা রয়েছে
এক্সপালস ২০০ ৪ভি এবং এক্সপালস ২০০ ৪ভি প্রো-দুই মডেলেই রয়েছে ১৯৯ দশমিক ৬ সিসির, ৪-ভালভ, সিঙ্গেল-সিলিন্ডার ও অয়েল-কুলড ইঞ্জিন। ইঞ্জিনটি ৮ হাজার ৫০০ আরপিএমে ১৮ দশমিক ৯ বিএইচপি শক্তি এবং ৬ হাজার ৫০০ আরপিএমে ১৭ দশমিক ৩৫ নিউটন-মিটার টর্ক উৎপন্ন করে। রয়েছে ৫-স্পিড ট্রান্সমিশন।
অ্যাডভেঞ্চার রাইডিংয়ের জন্য মোটরসাইকেল দুটিতে রাখা হয়েছে রোড, অফ-রোড ও র্যালি—তিনটি এবিএস মোড। এ ছাড়া রয়েছে ডুয়াল-পারপাস টায়ার, অ্যাডজাস্টেবল সাসপেনশন, এলসিডি ইনস্ট্রুমেন্ট ক্লাস্টার, ব্লুটুথ সংযোগ, টার্ন-বাই-টার্ন নেভিগেশন, ক্লাস-ডি এলইডি প্রজেক্টর হেডল্যাম্প ও এলইডি ডিআরএল।
দীর্ঘ ভ্রমণ ও অ্যাডভেঞ্চার রাইডের সুবিধার জন্য রয়েছে ব্যাশ প্লেট, হ্যান্ডগার্ড এবং বাঞ্জি হুকসহ লাগেজ প্লেট।
এক্সপালস ২০০ ৪ভির বিশেষ মূল্য ৩ লাখ ৩৫ হাজার টাকা এবং এক্সপালস ২০০ ৪ভি প্রোর বিশেষ মূল্য ৩ লাখ ৬৫ হাজার টাকা। উভয় মডেলের সঙ্গে বিনামূল্যে দুই বছরের রেজিস্ট্রেশন সুবিধাও দেওয়া হচ্ছে।
হিরো বাংলাদেশের ভাষায়, 'রাইড মোর, এক্সপ্লোর মোর'-এই দর্শনকে সামনে রেখেই দেশের রাইডারদের মধ্যে অ্যাডভেঞ্চার রাইডিংয়ের সংস্কৃতি আরও বিস্তৃত করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে প্রতিষ্ঠানটি।

নিজস্ব প্রতিবেদক