স্বর্ণের দামে বড় লাফ
মার্কিন ডলারের দরপতন ও ইরান-যুক্তরাষ্ট্র শান্তি আলোচনা পুনরায় শুরুর সম্ভাবনায় আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম এক শতাংশের বেশি বেড়েছে। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) বিনিয়োগকারীদের মধ্যে নতুন করে আশার সঞ্চার হওয়ায় নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে স্বর্ণের চাহিদা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। খবর রয়টার্সের।
মঙ্গলবার লেনদেন চলাকালীন স্থানীয় বাজারে স্বর্ণের দাম এক দশমিক এক শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স চার হাজার ৭৯১ দশমিক ৬৫ ডলারে দাঁড়িয়েছে। স্বর্ণের পাশাপাশি রুপার দামও তিন দশমিক তিন শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৭৮ দশমিক ৯ ডলারে দাঁড়িয়েছে।
রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, গত সপ্তাহের আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর এই সপ্তাহে আবারও যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের আলোচক দলগুলো পাকিস্তানের ইসলামাবাদে ফিরতে পারে। এই ইতিবাচক সংকেত মুদ্রাস্ফীতির উদ্বেগ কমিয়ে বাজারে স্বস্তি এনেছে।
আন্তর্জাতিক বাজারে মার্কিন ডলারের মান কমে যাওয়ায় অন্যান্য মুদ্রার ক্রেতাদের জন্য স্বর্ণ কেনা আগের চেয়ে সাশ্রয়ী হয়ে উঠেছে।
যুদ্ধের কারণে জ্বালানির মূল্যস্ফীতি বাড়লেও বর্তমানে তেলের দাম কিছুটা কম থাকা ও ডলারের দরপতন স্বর্ণের বাজারকে শক্তিশালী করতে সাহায্য করেছে।
আরজেও ফিউচারসের সিনিয়র মার্কেট স্ট্র্যাটেজিস্ট বব হ্যাবারকর্ন বলেন, ‘স্বর্ণের বাজারের পরবর্তী গতিপথ নির্ভর করবে পাকিস্তানে আলোচনা কতটুকু সফল হয় তার ওপর। যদি ইসলামাবাদ থেকে কোনো ইতিবাচক খবর আসে, তবে ধাতুগুলোর দাম আরও বাড়বে।’
মার্চ মাসে যুক্তরাষ্ট্রের উৎপাদক মূল্য প্রত্যাশার চেয়ে কম বাড়লেও যুদ্ধের কারণে জ্বালানি খাতের ওপর চাপ বজায় রয়েছে। তবে কমার্জব্যাংকের বিশ্লেষকদের মতে, যতক্ষণ পর্যন্ত মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংক বা ফেডারেল রিজার্ভ সুদের হার বাড়ানোর বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা না করছে, ততক্ষণ স্বর্ণের দাম কমার সম্ভাবনা খুবই কম।
আন্তর্জাতিক বাজারে প্ল্যাটিনামের দাম শূন্য দশমিক এক শতাংশ বাড়লেও প্যালাডিয়ামের দাম প্রায় এক শতাংশ কমেছে।

এনটিভি অনলাইন ডেস্ক