৩৮ হাজারের চাকরি ছেড়ে চা বিক্রি করে যুবকের আয় ১ লাখ ৮০ হাজার
ঝুঁকি ও কঠোর পরিশ্রমের একটি ঘটনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ওই ব্যক্তি কর্পোরেট চাকরি ছেড়ে রাস্তার পাশে একটি চায়ের দোকান খোলেন, এরপর বদলে যায় তার ভাগ্য, আয় বেড়ে যায় কয়েকগুণ। খবর এনডিটিভির।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ওই ব্যক্তির এক প্রতিবেশী অঙ্কিত পান্ডে ঘটনাটি তুলে ধরে বলেন, ওই যুবক আগে একটি ৯টা-৫টার চাকরিতে প্রতি মাসে ৩৮ হাজার রুপি আয় করতেন। পরে সে চাকরি ছেড়ে দিয়ে নিজের ব্যবসা শুরুর সিদ্ধান্ত নেয়।
অঙ্কিত পান্ডে বলেন, প্রথমে সবাই ভেবেছে আমার প্রতিবেশী ব্যক্তি ভুল করছেন, কিন্তু তিনি থেমে যাননি। একটি অটো স্ট্যান্ডের কাছে প্রায় দুই লাখ রুপি বিনিয়োগ করে একটি সুসজ্জিত চায়ের দোকান খোলেন। এতে চা তৈরি ও পরিবেশনের জন্য দুজন নারী কর্মী নিয়োগ দেন।
দোকানটিতে সাধারণ চা ১০ রুপি এবং প্রিমিয়াম চা ২০ রুপিতে বিক্রি হয়। অঙ্কিত পান্ডে বলেন, ওই যুবক প্রতিদিন প্রায় ৪০০ কাপ চা বিক্রি করেন, যার থেকে দৈনিক প্রায় ৬ হাজার রুপি, মাসে প্রায় ১ লাখ ৮০ হাজার রুপি আয় হয়। ভাড়া, কাঁচামাল, বেতন এবং অন্যান্য পরিচালন ব্যয় মেটানোর পর ওই যুবক এখন প্রতি মাসে প্রায় এক লাখ রুপি মুনাফা করেন।
অঙ্কিত পান্ডে আরও জানান, ওই যুবক বড়াপাও, সমোসা ও জিলাপি যোগ করে তার ব্যবসা সম্প্রসারণ করেছেন। যদি তিনি আগের চাকরিতে থেকে যেতেন, তাহলে হয়তো এখনও মাসে ৩৮ হাজার রুপি আয় করতেন এবং পরবর্তী মূল্যায়নের জন্য অপেক্ষা করতেন। কখনও কখনও সবচেয়ে বড় পদোন্নতি হলো সেটাই, যা আপনি নিজেকে দেন।

এনটিভি অনলাইন ডেস্ক