কামরাঙ্গীরচরে কিশোরী ‘গণধর্ষণের’ প্রধান আসামির স্বীকারোক্তি
রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরে ১৩ বছরের কিশোরীকে গণধর্ষণের মামলার মূল আসামি রতন (১৮) আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারা মোতাবেক স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
আজ রোববার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হাবিবুর রহমানের আদালতে তিনি এ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন বলে জানিয়েছেন আদালতের সাধারণ নিবন্ধন শাখার ওমেদার সরোয়ার। গতকাল তাকে গ্রেপ্তার করে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)।
এদিকে গতকাল গ্রেপ্তার তিন আসামি হাসান, সিফাত ও সবুজ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। পরে তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত। এ ছাড়া রনি নামের এক আসামিকে হাজির করে সাত দিন রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম মিল্লাত হোসেন একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
অন্যদিকে ধর্ষিতার বান্ধবীকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করলে ঢাকা মহানগর হাকিম মিল্লাত হোসেন তা মঞ্জুর করেন।
গত শুক্রবার দুপুরে গণধর্ষণে যে বান্ধবী সহায়তা করেছিল তাকেসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের আনুমানিক বয়স ১৪-১৫ বছর। একজন পলাতক রয়েছেন।
এজাহার থেকে জানা যায়, গত ৯ জানুয়ারি সন্ধ্যায় কামরাঙ্গীরচরের পূর্ব রসুলপুর এলাকার একটি নির্মাণাধীন ভবনের দ্বিতীয়তলায় নিয়ে ওই কিশোরীকে গণধর্ষণ করা হয়। একই এলাকায় বসবাস করা ওই কিশোরীকে গতকাল বিকেলে তার বান্ধবীর বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায়।
বান্ধবীর সহায়তায় কিশোরীটিকে ধর্ষণ করা হয় বলে প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হয় পুলিশ। ওই ঘটনায় কিশোরীর মা বাদী হয়ে কামরাঙ্গীচর থানায় একটি মামলা করেন।
ধর্ষণের শিকার ওই কিশোরীকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) ভর্তি করা হয়েছে।

আদালত প্রতিবেদক