‘ভারত-তোষণনীতির কারণেই রামপাল’
বাগেরহাটের রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) বিক্ষোভ মিছিল করেছেন প্রগতিশীল ছাত্রজোটের নেতাকর্মীরা। নেতাকর্মীদের অভিযোগ, ভারত-তোষণনীতির কারণেই বর্তমান সরকার এই প্রকল্প থেকে সরে আসছে না।
আজ শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিনস ভবনের পেছন থেকে মিছিলটি শুরু হয়ে ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে টুকিটাকি চত্বরে এসে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মিলিত হয়।
সমাবেশে বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর সাধারণ সম্পাদক দিলীপ রায় বলেন, উন্নয়ন বাংলার মানুষ চায়। কিন্তু উন্নয়নের নামে সুন্দরবন ধ্বংস চায় না। বিদ্যুৎ উৎপাদনের নামে বস্তুতপক্ষে বর্তমান সরকার ভারত-তোষণনীতি অবলম্বন করে চলছে। আবার বর্তমান সরকার জঙ্গিবিরোধী কথা বলছে কিন্তু একের পর এক দেশবিরোধী চুক্তি করে চলেছে। চুক্তিগুলো যদি দেশবিরোধী না-ই হবে, তাহলে বর্তমান সরকার কেন গণভোটের আয়োজন করছে না?
সমাবেশে অন্য বক্তারা বলেন, রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের মাধ্যমে সুন্দরবন ধ্বংস করার প্রচেষ্টা ব্যর্থ করার জন্য যত বাধাই আসুক, আমরা আন্দোলন চালিয়ে যাব। আমরা সুন্দরবন নষ্ট করে বিদ্যুৎ চাই না। বিদ্যুৎ হয়তো আরো অন্য কোনো উপায়ে উৎপাদন করা সম্ভব হবে। কিন্তু সুন্দরবন ধ্বংস হলে আর পাওয়া সম্ভব না।
এ সময় গত বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ঘেরাও কর্মসূচিতে তেল-গ্যাস রক্ষা জাতীয় কমিটির ওপর পুলিশি হামলার তীব্র নিন্দা জানান বক্তারা।
সমাবেশে আরো বক্তব্য দেন ছাত্র ইউনিয়ন বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি মিনহাজুল আবেদীন, ছাত্র ফেডারেশন বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি কিংশুক কিঞ্জল, বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি প্রদীপ মার্ডি, ছাত্র ফ্রন্টের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক শামসুজ্জোহা সাদিক প্রমুখ।

রাবি সংবাদদাতা