ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে বেড়েছে গণপরিবহণের চাপ
শিল্পকারখানায় আর এক দিন পরই শুরু হচ্ছে ঈদুল ফিতরের ছুটি। শ্রমজীবী মানুষ ফিরতে শুরু করেছে শহর থেকে গ্রামে। ‘উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার’ খ্যাত গাজীপুরের ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের চন্দ্রা এলাকায় আজ মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) দুপুর ১২টার পর থেকে মানুষের ঢল নেমেছে। বিকেল থেকে যাত্রী ও গণপরিবহনের চাপ বেড়েছে কয়েকগুণ।
যানজট না থাকলেও অত্যন্ত ধীরগতিতে চলছে যানবাহন। যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক রাখতে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের চন্দ্রা এলাকার বিভিন্ন পয়েন্টে হাইওয়ে ও ট্রাফিক পুলিশসহ ছয় শতাধিক পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
কারখানা ও শিল্প পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গাজীপুরে ছোট-বড় প্রায় সাড়ে তিন হাজার শিল্পকারখানা রয়েছে৷ ধারাবাহিকভাবে গতকাল সোমবার ৬২টি এবং আজ মঙ্গলবার ৪৪৪টিতে কারখানায় ছুটি দেওয়া হয়েছে। আগামীকাল বুধবার এক হাজার ৪১৪টি ও বৃহস্পতিবার ৮৩৩টি কারখানায় ছুটি হবে।
মৌ আক্তার নামের এক যাত্রী বলেন, আজ দুপুর ১২টা পর্যন্ত ডিউটি করিয়ে কারখানা ছুটি দিয়েছে। ব্যাগ গুছিয়ে অফিসে নিয়ে গিয়েছিলাম। ছুটি হওয়ার পরই রওনা হয়েছি। আজ মোটামুটি চাপ কম থাকবে, বেশিরভাগ কারখানা ছুটি আগামীকাল।
গ্রামের বাড়ি রাজশাহীর উদ্দেশে রওনা হয়েছেন আসমা খাতুন। তার সঙ্গে কথা হয় চন্দ্রা এলাকায়। তিনি বলেন, অনেক দিন পর ছুটি পেয়েছি, পরিবার নিয়ে গ্রামের বাড়ি যাচ্ছি। আজ ভাড়া কিছুটা বেশি নিলেও যানজট না থাকায় স্বস্তি পাচ্ছি।
নাওজোর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সওগাতুল আলম বলেন, দুপুর থেকে যাত্রীদের চাপ বেড়েছে। আগামী বৃহস্পতিবার পর্যন্ত যাত্রীর চাপ বাড়বে। যানজট নিরসনে হাইওয়ে ও জেলা পুলিশের সদস্যরা কর্মরত রয়েছেন।
বাড়তি ভাড়া আদায়ের কোনো অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থার নেওয়ার কথা জানান ওসি সওগাতুল আলম।

বি এম সাঈদ, গাজীপুর (কালিয়াকৈর)