পদ্মার কূল শুকিয়ে যাওয়ায় বেকার মৎস্যজীবীরা
চলতি মৌসুমে পাবনার সুজানগরে পদ্মা নদীর কূলের পানি প্রায় শুকিয়ে গেছে। এতে উপজেলার শত শত মৎস্যজীবী বেকার হয়ে পড়েছে।
ভুক্তভোগী মৎস্যজীবীরা জানান, প্রত্যেক বছর চলতি মৌসুমে পদ্মার পানি কমে গেলেও পদ্মার কূলের পানি তেমন একটা কমে না। অনেকটা ভরা বর্ষা মৌসুমের মতোই কূলে পানি থাকে। বিশেষ করে উপজেলার সাতবাড়ীয়া, নিশ্চিন্তপুর, রাইপুর, গোয়ারিয়া, মালিফা, মালফিয়া, মহনপুর এবং কামারহাট এলাকায় পদ্মা নদীর কূলে পর্যাপ্ত পানি থাকে। এ সময় উপজেলার শত শত মৎস্যজীবী ওই সব কূল থেকে রুই, কাতলা এবং বোয়ালসহ বিভিন্ন প্রজাতির বড় বড় মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করে থাকে। কিন্তু এ বছর চলতি মৌসুমে ওই সব এলাকায় পানি প্রায় শুকিয়ে গেছে।
উপজেলার তারাবাড়িয়া গ্রামের মৎস্যজীবী আবেদ আলী বলেন, আমার পরিবারের বেশিরভাগ সদস্য পদ্মা নদী ও নদীর কূলের পানিতে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করে থাকে। কিন্তু এ বছর কূলে তেমন পানি নেই। আর তেমন পানি না থাকায় মাছও নেই। ফলে পরিবারের সদস্যরা বেকার হয়ে পড়েছে।
একই এলাকার মৎস্যজীবী আলতাফ হোসেন বলেন, অনেক মৎস্যজীবী আছে তারা কেবল পদ্মা নদীর কূলে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করে থাকে। পদ্মার কূলই তাদের কাছে মাছ শিকারের একমাত্র উৎস। কিন্তু চলতি মৌসুমে পদ্মার কূল প্রায় শুকিয়ে যাওয়ায় বিশেষ করে ওই সব মৎস্যজীবী দিশেহারা হয়ে পড়েছে।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা (চলতি দায়িত্বে) মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, মৎস্যজীবীদের স্বার্থে আগামীতে পদ্মা নদীর ওই সব কূল খনন করে সারা বছর পানি রাখার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

এ বি এম ফজলুর রহমান, পাবনা