চঞ্চল চৌধুরী ও ভাবনার ‘ওয়াও ফ্যান্টাসি’
জনপ্রিয় নির্মাতা মাসুদ সেজান নির্মাণ করলেন ঈদের বিশেষ ছয় পর্বের ধারাবাহিক নাটক ‘ওয়াও ফ্যান্টাসি’। নাটকটি ঈদের দিন থেকে ঈদের ষষ্ঠ দিন পর্যন্ত প্রতিদিন রাত ৯টা ৪০ মিনিটে প্রচারিত হবে বাংলাভিশনে। এতে অভিনয় করেছেন চঞ্চল চৌধুরী, ভাবনা, মিশু সাব্বির, ডা. এজাজ, শামীমা নাজনীন, রিফাত চৌধুরী, জুঁই, মুকুল সিরাজ, হায়দার মিথুন, সাজ্জাদ হুসাইন প্রমুখ।
নাটকের গল্প নিয়ে নির্মাতা মাসুদ সেজান বলেন, ‘ওয়াও ফ্যান্টাসি’র গল্প আবর্তিত হয়েছে শ্রেণিগত বৈষম্য এবং সাংস্কৃতিক পার্থক্যের দ্বিধাদ্বন্দ্বে জর্জরিত আমাদের সমাজ বাস্তবতার আলোকে। এখানে আশরাফুল (চঞ্চল চৌধুরী) গ্রামের এক সহজ-সরল যুবক। সম্প্রতি ঢাকায় এসে দুই বন্ধুর সঙ্গে মেসে উঠেছে। কোনো চাকরি না পেয়ে আপাতত একটি টিউশনির ওপরই তাকে নির্ভর করতে হচ্ছে। টিউশনি করতে গিয়ে তিথির (ভাবনা) সঙ্গে তার পরিচয় হয়। তিথি যেখানে ‘ওয়াও’, ‘অসাম’, ‘ঝাক্কাস’, ‘জটিল’, ‘লল’ কালচারে অভ্যস্ত, সারা দিন ফেসবুকিং করে, সেখানে আশরাফুলের কোনো মোবাইল ফোনই নেই। প্রকৃতির অমোঘ নিয়মে বিপরীত সংস্কৃতির এই দুই বাসিন্দার মধ্যে যখন প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে, তখন রকি (মিশু সাব্বির) এক পরাশক্তি হিসেবে সেখানে আবির্ভূত হয়। পরাশক্তির কাছে কি হেরে যাবে আমাদের শাশ্বত প্রেম ও মানবতা? এ রকমই এক টান টান উত্তেজনার গল্প নিয়ে এগিয়ে গেছে ‘ওয়াও ফ্যান্টাসি’ নাটকটির কাহিনী।’
অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী বলেন, “সেজান ভাইয়ের সঙ্গে এর আগে ‘ওয়াও’ নামের একটি টেলিফিল্মে অভিনয় করেছিলাম এবং কাজটি করে আমি ব্যাপক সাড়া পেয়েছি। এই ধারাবাহিকটি ‘ওয়াও’-এর সিক্যুয়াল হিসেবে তিনি তৈরি করেছেন। কাজটি অনেক এনজয় করেছি, সেজান ভাইও অনেক যত্ন নিয়ে এটি নির্মাণ করেছেন। আমার বিশ্বাস, দর্শক ‘ওয়াও ফ্যান্টাসি’ দেখে একটি সুস্থ বিনোদনের মধ্য দিয়ে একটি ভালো মেসেজ পাবেন।”
নির্মাতা মাসুদ সেজান বলেন, ‘আমি আমার প্রতিটি কাজেই একটি মেসেজ দেওয়ার চেষ্টা করি, এখানেও তা আছে। আশা করছি আমার অন্যান্য কাজের মতো এই কাজটিও দর্শক ভালোভাবে গ্রহণ করবেন।’

মাজহার বাবু