চ্যালেঞ্জিং হলেও এবারের উইকেট বোলারদের সাহায্য করবে!
প্রতিবছর বিপিএল এলেই বাংলাদেশের উইকেট নিয়ে বেশ আলোচনা হয়। সে তুলনায় চলমান বঙ্গবন্ধু বিপিএলের উইকেট নিয়ে স্বস্তিতে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। প্রতিটি ম্যাচেই রান পাচ্ছেন ব্যাটসম্যানরা। ভালো করছেন স্থানীয় ক্রিকেটাররাও।
কিন্তু বোলারদের কথা ভাবলে কিছুটা প্রশ্ন থেকেই যায়। রানের উইকেট ব্যাটসম্যানদের জন্য সহজ হলেও বোলারদের জন্য চ্যালেঞ্জিং। তবে সামনে যেহেতু টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ, সেহেতু এমন উইকেটে প্রস্তুতি নেওয়াটাই বোলারদের জন্য উপযুক্ত। যেমনটা মনে করছেন জাতীয় দলের পেসার আল-আমিন হোসেন। এই উইকেটে বোলারদের জন্য কিছুটা চ্যালেঞ্জিং হলেও ধীরে ধীরে এটি অনেক সহজ হয়ে ওঠে বলে মনে করেন আল-আমিন।
শুরুর দিকে কয়েকটি ম্যাচ বোলারদের জন্য সমস্যার হলেও পরে সেটা জাতীয় দলে খেলার প্রস্তুতি হিমে কাজে লাগবে বলে মনে করেন আল-আমিন। তিনি বলেন, ‘এবারের উইকেট একটু চ্যালেঞ্জিং বলতে পারেন। কারণ, এ ধরনের উইকেট সচরাচর খেলা হয়নি। তবে অনেক সহজ একটি উইকেট। আপনি এমন উইকেটে খেললে প্রথম দু-তিনটা ম্যাচ একটু সমস্যায় পড়বেন। এরপর আপনার মাথা খুলতে থাকবে এবং আপনি প্রস্তুতি নেবেন এ ধরনের উইকেটে কীভাবে বোলিং করা যায়, সেটার। যেটা জাতীয় দলে খেললে অনেক সাহায্য করবে। এখানে প্রস্তুতি নিলে পরে বিভিন্ন দেশে এমন উইকেটে কীভাবে বোলিং করা যায়, মানিয়ে নেওয়া যায় সেটা কাজে লাগানো যাবে।’
বিপিএলের পরেই পাকিস্তান সফর। এর পর সামনে বিশ্বকাপ। সব মিলিয়ে বিপিএল থেকেই দল বাছাইয়ের পরিকল্পনা করছে বিসিবি। সে ক্ষেত্রে টি-টোয়েন্টি বোলার হিসেবে আল-আমিন নিজেকে কতটা উপযুক্ত মনে করছেন? কারণ, ভারত সফরে উইকেট তেমন না পেলেও কম রান দিয়ে সফর খারাপ কাটেনি তাঁর।
আল-আমিন বলছেন, ‘আমার কাছে মনে হয়, মাত্র ছয়টা ম্যাচ গেল। চারটা ম্যাচ খুব ভালো হয়েছে, দুইটা ম্যাচ খারাপ হয়েছে। এখনো ছয়টা ম্যাচ আছে। সব মিলিয়ে খুব বেশি খারাপ কিছু হয়নি। আসলে দল জিততে হলে সামগ্রিক পারফরম্যান্স প্রয়োজন। বোলাররা যদি ভালো পারফরম্যান্স করে, কিন্তু ব্যাটসম্যানরা না করলে তো জেতা সম্ভব না। আর আমিও টি-টোয়েন্টি বোলার হিসেবে যে পারফরম্যান্স করে থাকি, সেটা এখনো করতে পারিনি। এখনো ছয়টা ম্যাচ আছে, আশা করি আমি আমার ছন্দে ফিরতে পারব।’

ক্রীড়া প্রতিবেদক