ক্যাচ প্র্যাকটিসটা ভালোই হলো বাংলাদেশের!
এশিয়া কাপের ফাইনাল খেলেই ভারতের উদ্দেশে রওনা দিয়েছিলেন বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিযোগিতায় নামার আগে একটা প্রস্তুতি ম্যাচও খেলা হয়নি মাশরাফিদের। ধর্মশালায় লাগাতার বৃষ্টির যন্ত্রণায় ভালোমতো খেলা হয়নি প্রথম রাউন্ডের ম্যাচগুলোও। শিরোপা জয়ের আসল লড়াই শুরুর আগে মাশরাফিদের প্রস্তুতিটা কী পূর্ণাঙ্গ হলো? ব্যাটিং-বোলিং নিয়ে সংশয় থাকলেও রোববার ওমানের বিপক্ষে ম্যাচে ক্যাচ প্র্যাকটিসটা বেশ ভালোমতোই সেরে নিয়েছেন সাব্বির-মাহমুদউল্লাহরা!
প্রথম রাউন্ডে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ম্যাচটাই বাংলাদেশ খেলতে পেরেছে নির্বিঘ্নে। পরের দুটি ম্যাচেই ছিল বৃষ্টির বাধা। আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচটি তো পরিত্যক্তই হয়ে গিয়েছিল। ওমানের বিপক্ষে শেষ ম্যাচটিতে পুরো ২০ ওভার ব্যাটিং করতে পারলেও বোলিং করা গেছে মাত্র ১২ ওভার। তবে এই ১২ ওভারের মধ্যে ক্যাচ প্র্যাকটিসটা ভালোমতোই সেরে নিয়েছেন বাংলাদেশের ফিল্ডাররা।
ওমানের ইনিংসের সাত ওভার পরই ধর্মশালায় হানা দিয়েছিল বৃষ্টি। সেই সময় ওমানের সংগ্রহ ছিল দুই উইকেটে ৪১ রান। বৃষ্টির পর ওমান যখন নতুন লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নামে, তখন শুরু হয় উইকেট বৃষ্টি। ৪১/২ থেকে কয়েক ওভারের মধ্যেই ওমানের স্কোর দাঁড়ায় ৬৫/৯। এ সময় ওমানের ব্যাটসম্যানরা যেন নিয়েছিলেন বাংলাদেশের ফিল্ডারদের ক্যাচ প্র্যাকটিস করানোর ভূমিকা। একের পর এক উইকেটে এসে আকাশে বল তুলে দিয়েছিলেন ওমানের ব্যাটসম্যানরা। বাংলাদেশের ক্রিকেটাররাও ক্যাচ প্রাকটিসের এই সুবর্ণ সুযোগ হাতছাড়া করেননি। তালুবন্দি করেছেন সব ক্যাচই।
ওমানের বিপক্ষে পুরো ম্যাচে দুটি ক্যাচ নিয়েছেন মাহমুদউল্লাহ ও মোহাম্মদ মিথুন। মাশরাফি ও সাব্বির একটি করে। উইকেটের পেছনে মুশফিকুর রহিমের ডিসমিসালও ছিল দুটি। একটি ক্যাচ, একটি স্টাম্পিং। সৌম্য সরকার একটি রানআউট করেছেন সরাসরি থ্রো থেকে স্টাম্প ভেঙে দিয়ে। ওমানের উইকেট বৃষ্টির রাতে টি-টোয়েন্টির ক্যারিয়ারসেরা বোলিং করেছেন সাকিব। ১৫ রানের বিনিময়ে নিয়েছেন চারটি উইকেট।
এশিয়া কাপে কয়েকটি ক্যাচ মিস করে কিছুটা সমালোচনার মুখেই পড়েছিলেন বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মূল পর্বে যাওয়ার আগে প্রথম রাউন্ডে এই ক্যাচ প্র্যাকটিসটা হয়তো বেশ ভালোই কাজে লাগবে মাশরাফিদের।

স্পোর্টস ডেস্ক