কেন নিষিদ্ধ হলেন মেসির দেহরক্ষী?

মার্কিন মুলুকে লিওনেল মেসি পা রাখার পর রীতিমতো বদলে দিয়েছেন দেশটির ফুটবলের চিত্র। কালেভদ্রে ফুটবলের খবর রাখা দেশটির মানুষ এখন ফুটবলেই মাতোয়ারা থাকে। মেসির আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তার কারণে তার নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। মেসির নিরাপত্তা দিতে এখনও প্রস্তুত নয় ইন্টার মায়ামি, এমন মন্তব্য করে দল থেকেই বাদ পড়তে হয়েছে ক্লাবটির সাবেক গোলরক্ষক নিক মার্শম্যানকে। সবকিছু বিবেচনায় নিয়ে এবং কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা যাতে না ঘটে, সেই কারণে মেসির জন্য একজন দেহরক্ষী নিয়োগ দিয়েছে মায়ামি কর্তৃপক্ষ।
অনুশীলন, মাঠ কিংবা ড্রেসিংরুম, সবসময় মেসির পাশে থাকেন এই দেহরক্ষী। তবে, ইয়াসিন চুকো নামের দেহরক্ষীকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। মেজর লিগ সকারের (এমএলএস) নিয়মবহির্ভূত হওয়ায় খেলা চলাকালে ইয়াসিনের মাঠে প্রবেশ নিষিদ্ধ করেছে লিগ কর্তৃপক্ষ। এখন থেকে তিনি শুধু মাঠের বাইরে থেকেই মেসির নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করতে পারবেন। শুধু লিগে নয়, এই নিষেষাজ্ঞা থাকছে কনকাকাফ চ্যাম্পিয়ন্স কাপেও।
এমএলএসের নিয়ম অনুযায়ী খেলা চলাকালীল খেলোয়াড়, কোচ ও রেফারিই কেবল মাঠে প্রবেশ করতে পারেন। কিন্তু, চুকো হুটহাট মাঠে ঢুকে যেতেন। গত বছর মেক্সিকান ক্লাব মোন্তেরেইয়ের বিপক্ষে কনকাকাফ চ্যাম্পিয়ন্স কাপের কোয়ার্টার ফাইনালে চোটে পড়েন মেসি। সেই সময় মাঠে ঢুকে রেফারির একটি সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রতিপক্ষ কোচের সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে পড়েন তিনি। তাছাড়া, মেসির সঙ্গে ছবি তুলতে এবং তাকে ছুঁয়ে দেখতে মাঠে প্রায়ই ঢুকে পড়েন দর্শক। তাদের সঙ্গে ইয়াসিনের আচরণও হয়েছে প্রশ্নবিদ্ধ।
ইয়াসিন একজন প্রফেশনাল ফাইটার। খেলার আগে স্টেডিয়ামে প্রবেশ, খেলা চলাকালীন এবং খেলা শেষে টানেল দিয়ে ফেরার পথেও মেসিকে চোখের আড়াল করেন না তিনি। খেলা চলাকালীন মাঠের সাইডলাইনে দাঁড়িয়ে নিশ্চিত করে এসেছেন মেসির নিরাপত্তা। ইয়াসিনের অধীনে ৫০ জনের একটি দল আছে, যারা মেসি ও তার পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে।