পাকিস্তানের বিশ্বকাপ ভাগ্য নির্ধারণ হতে পারে আজ
দুই সপ্তাহেরও কম সময় বাকি আছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের। কিন্তু বিশ্বকাপ নিয়ে জটিলতা কমছে না এখনও। বাংলাদেশকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিয়ে স্কটল্যান্ডকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে আইসিসি। এবার নতুন করে সামনে এসেছে পাকিস্তান ইস্যু।
গত কয়েকদিন ধরেই গুঞ্জন উঠেছে বিশ্বকাপ বয়কট করবে পাকিস্তান। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) চেয়ারম্যান মহসিন নাকভির দেওয়া বক্তব্যে সেই গুঞ্জনে নতুন ডালপালা মেলেছে। আজই সেই গুঞ্জনের চূড়ান্ত ফলাফল আসতে যাচ্ছে।
পাকিস্তানের গণমাধ্যমগুলোর তথ্য মতে, বিশ্বকাপ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে পাকিস্তান সরকার। সেজন্য আজ সোমবার (২৬ ডিসেম্বর) পিসিবি কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসবে দেশটির প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ। ধারণা করা হচ্ছে, এই বৈঠকেই বিশ্বকাপে পাকিস্তানের খেলবে, না কি খেলবে না–এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
এর আগে গত ২৪ জানুয়ারি পিসিবি প্রধান নাকভি জানিয়েছিলেন, বিশ্বকাপে না খেলার সিদ্ধান্ত নেবে পাকিস্তান সরকার। তিনি বলেছিলেন, ‘আমরা প্রধানমন্ত্রীর ফিরে আসার অপেক্ষা করছি।’ এর সঙ্গে তিনি যোগ করেন, প্রধানমন্ত্রী ফেরার পরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
এদিকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে আইসিসি ও পিসিবির মধ্যকার দ্বন্দ্ব বেড়েছে। সম্প্রতি বাংলাদেশের সমর্থনে পিসিবি প্রধান মহসিন নাকভির করা এসব মন্তব্যে আইসিসি ক্ষুব্ধ হয়েছে বলে জানিয়েছে ভারতের একাধিক গণমাধ্যম।
বাংলাদেশের এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে পাকিস্তানও যদি শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপ থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়, তবে দেশটির ক্রিকেটের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা আসতে পারে বলে আভাস পাওয়া যাচ্ছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, পাকিস্তান যদি টুর্নামেন্টে অংশ না নেওয়ার পথে হাঁটে, তবে আইসিসি তাদের ওপর বহুমুখী নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে পারে। যা শঙ্কায় ফেলবে দেশটির ক্রিকেটের ভবিষ্যতকে।
এর মধ্যে রয়েছে পাকিস্তানের সব দ্বিপাক্ষিক সিরিজ স্থগিত করা, পাকিস্তান সুপার লিগে (পিএসএল) বিদেশি ক্রিকেটারদের খেলার অনুমতি (এনওসি) না দেওয়া এবং এশিয়া কাপের মতো টুর্নামেন্ট থেকে তাদের নিষিদ্ধ করা। মূলত পিসিবি প্রধানের সাম্প্রতিক আক্রমণাত্মক মন্তব্য এবং টুর্নামেন্ট বয়কটের প্রচ্ছন্ন হুমকি আইসিসিকে কঠোর অবস্থানের দিকে ঠেলে দিয়েছে।

স্পোর্টস ডেস্ক