দ. আফ্রিকাকে উড়িয়ে দিয়ে সিরিজে সমতা ফেরাল নিউজিল্যান্ড
প্রথম ম্যাচে ব্যাটিং ব্যর্থতায় ডুবেছিল নিউজিল্যান্ড। দ্বিতীয় ম্যাচে এসে ঘুরে দাঁড়িয়ে এবার দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে এবার প্রতিশোধটা বুঝে নিলেন কিউরা। ঘরের মাঠে প্রোটিয়া ব্যাটারদের রীতিমতো নাকানিচুবানি খাইয়ে বড় জয় তুলে নিয়ে সিরিজে সমতা ফেরাল নিউজিল্যান্ড।
আজ মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) হ্যামিল্টনে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৭৫ রান করেছিল নিউজিল্যান্ড। জবাব দিতে নেমে ১৫.৩ ওভার ১০৭ রান তুলতেই গুটিয়ে গেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। কিউইরা জয় পেয়েছে ৬৮ রানে। এতে পাঁচ ম্যাচ সিরিজে ১-১ সমতা ফেরাল কিউইরা।
রান তাড়ায় নেমে শুরুটা মন্দ ছিল না দক্ষিণ আফ্রিকার। উদ্বোধনীয় জুটিতে ২৯ রনা যোগ করেন ওপেনার উইয়ান মুল্ডার আর কনর এস্টারহুইজেন। ১২ বলে ৮ রান করা এস্টারহুইজেনকে ফিরিয়ে সেই জুটি ভাঙেন বেন সিয়ার্স।
এরপর যেনো তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটিং লাইন। নিউজিল্যান্ডের বোলারদের সামনে সেভাবে দাঁড়াতেই পারেনি কোনো ব্যাটার। পুরো ইনিংসে মাত্র একজন ব্যাটার ২০ ঘর ছাড়িয়েছেন। তবে জর্জ লিন্ডের সেই ১২ বলে ৩৩ রানের ইনিংস কেবল হারের ব্যবধানই কমিয়েছে।
কিউইদের হয়ে সমান তিনটি করে উইকেট শিকার করেছেন লুকি ফার্গুসন আর বেন সিয়ার্স। দুটি উইকেট গেছে মিচেল স্যান্টনারের ঝুলিতে।
এর আগে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে আগ্রাসী শুরু করেন নিউজিল্যান্ডের ওপেনার ডেভন কনওয়ে। তবে অপরপ্রান্তে কিছুটা ধীরগতির ব্যাটিং করছিলেন টম লাথাম। তবুও উইকেটে বেশি সময় স্থায়ী হতে পারেননি তিনি। ফিরেছেন ১০ বলে ১১ রান করেই। তিন নম্বরে নামা টিম রবিনসনও (৩ বলে ১) ফিরেছেন দ্রুতই।
পরের ব্যাটাররা উইকেটে এসে ঝড় তোলার আভাস দিয়েও ইনিংস বড় করতে পারেননি। সবাই ফিরেছেন ভালো শুরুর পর। নিক কেলি (১২ বলে ২১), মিচেল স্যান্টনার (১৪ বলে ২০)।
বাকিদের যাওয়া-আসার ভীরে একপ্রান্ত আগলে রেখেছিলেন কনওয়ে। দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে হাফসেঞ্চুরি তুলে নেন তিনি। শেস পর্যন্ত ফেরেন ৪৯ বলে ৬০ রান করে।
শেষ দিকে উইকেটে ঝড় তুলেন কোল ম্যাককয়ি আর জস ক্লার্কসন। সপ্তম উইকেট জুটিতে মাত্র ১৩ বলে ৩৫ রান যোগ করেন এই দুজন। ১২ বলে ১৮ রানে ম্যাককয়ি আর মাত্র ৯ বলে ২৬ রানে ক্লার্কসন অপরাজিত থাকেন।
দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে সর্বোচ্চ দুটি উইকেট পান উইয়ান মুল্ডার।

স্পোর্টস ডেস্ক