স্পেন-পর্তুগালের রুদ্ধশ্বাস প্রথমার্ধ, গোলের খাতা খুলল না
শুরু থেকেই আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে জমে ওঠে ম্যাচ। দুই দলই একাধিক সুযোগ তৈরি করলেও কোনো দলই জালের দেখা পায়নি। অসাধারণ বীরত্ব দেখিয়েছেন দুই দলের গোলরক্ষক। তাদের নৈপূন্যেই গোলহীন প্রথমার্ধ শেষে বিরতিতে স্পেন আর পর্তুগাল।
আজ সোমবার (৬ জুলাই) বাংলাদেশ সময় মরাত ১টায় যুক্তরাষ্ট্রের ডালাসের ঐতিহাসিক কটন বোল স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর মহারণে মুখোমুখি হয়েছে ইউরোপের দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী স্পেন ও পর্তুগাল। প্রথমার্ধ শেষে গোলশূন্য সমতায় বিরতিতে গেছে দুই দল।
ম্যাচের শুরুতেই এগিয়ে যাওয়ার সুবর্ণ সুযোগ পেয়েছিল স্পেন। চতুর্থ মিনিটে একেবারে ওয়ান-টু-ওয়ান অবস্থায় গোলরক্ষক দিয়োগো কস্তাকে পেয়েও গোল করতে পারেননি মিকেল ওইয়ারসাবাল। পর্তুগালের গোলরক্ষক দুর্দান্ত সেভে দলকে নিশ্চিত গোল হজমের হাত থেকে বাঁচান।
এরপরও আক্রমণের ধার ধরে রাখে স্পেন। ১৪তম মিনিটে বামপ্রান্তে অ্যালেক্স বায়েনার গতিময় দৌড় ও ওয়ান-টাচ পাস স্পেনের আক্রমণে প্রাণ সঞ্চার করে। ২১তম মিনিটে স্পেন আরেকটি দারুণ সুযোগ তৈরি করলেও আবারও বাধা হয়ে দাঁড়ান দিয়োগো কস্তা।
প্রথমার্ধের শেষ দিকে আক্রমণে জোর বাড়ায় পর্তুগাল। ৩৮তম মিনিটে জোয়াও ফেলিক্সের শট ডিফ্লেক্ট হয়ে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর সামনে এলে তিনি হুক শটে গোলের চেষ্টা করেন। তবে অসাধারণ ডাইভ দিয়ে নিশ্চিত গোল ঠেকিয়ে দেন স্পেনের গোলরক্ষক উনাই সিমন।
৪২তম মিনিটে গোলের সবচেয়ে কাছাকাছি পৌঁছে যায় পর্তুগাল। ২০ গজ দূর থেকে নুনো মেন্ডেসের বাঁ পায়ের জোরালো শট পেদ্রো পোরোর গায়ে লেগে দিক বদলে ফেললেও ভাগ্য স্পেনের পক্ষে ছিল। উনাই সিমনকে পরাস্ত করা সেই বল জালে না গিয়ে আঘাত হানে ক্রসবারে।
দুই গোলরক্ষকের দুর্দান্ত নৈপুণ্য, দুই দলের সমানতালে আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণ এবং কয়েকটি নিশ্চিত গোলের সুযোগ নষ্ট হওয়ার পর শেষ পর্যন্ত গোলশূন্য সমতায়ই শেষ হয় প্রথমার্ধ।

স্পোর্টস ডেস্ক