প্রলয়ঙ্করী ভূমিকম্প শিগগিরই?
হিমালয়কন্যা নেপাল, প্রতিবেশী দেশ ভুটান কিংবা ভারতে যেকোনো সময় আঘাত হানতে পারে প্রলয়ঙ্করী ভূমিকম্প। রিখটার স্কেলে এর সর্বোচ্চ মাত্রা হতে পারে ৮ কিংবা ৮ দশমিক ২। আর এতে ধ্বংসলীলা শুরু হতে পারে হিমালয়ের পার্শ্ববর্তী দেশ তিনটিতে।
ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিশেষজ্ঞদের বরাত দিয়ে টাইমস অব ইন্ডিয়ার (টিওআই) এক খবরে এ তথ্য জানানো হয়।
বিশেষজ্ঞরা টিওআইকে বলেন, গত সোমবার ভারতের মণিপুর রাজ্যে যে ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে, এর চেয়ে বড় মাত্রার ভূমিকম্পের শঙ্কা বাড়ছে। তাঁরা বলেন, ভূমিকম্পের তীব্রতার মাত্রা সময়ে সময়ে বদলেছে। ২০১১ সালে ভারতের সিকিমে আঘাত হেনেছিল ৬ দশমিক ৯ মাত্রার ভূমিকম্প। ২০১৫ সালের মে মাসে নেপালে আঘাত হানে ৭ দশমিক ৩ মাত্রার ভূমিকম্প, আর এই মাসে মণিপুরে ৬ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্প হয়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, উল্লিখিত ভূমিকম্পগুলো যেসব স্থানে চ্যুতির সৃষ্টি করেছিল, সেসব জায়গা কিংবা এর আশপাশে আরো বড় ধরনের চ্যুতি তৈরি হতে পারে। এতে করে সৃষ্টি হতে পারে বড় মাত্রার প্রলয়ঙ্করী ভূমিকম্প।
ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীন জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ইনস্টিটিউট (এনআইডিএম) গত বছরের মে মাসে নেপালে ভূমিকম্পের বিভিন্ন দিক পর্যালোচনা করে। পর্যালোচনা শেষে সংস্থাটির কর্তাব্যক্তিরা সতর্ক করে বলেন, ভারতের উত্তরাঞ্চলে বিশেষত, পাহাড়ি এলাকায় বড় ভূমিকম্পের শঙ্কা তৈরি হয়েছে।
এনআইডিএমের কর্মকর্তাদের এ পর্যবেক্ষণ তুলে ধরা হয় সম্প্রতি অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে। ভারতের অরুণাচল রাজ্যের রাজধানী ইটানগরের ওই বৈঠকে পার্বত্য ১১টি রাজ্যের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। ভূমিকম্প নিরসনে তাঁরা পার্বত্য রাজ্যগুলোর জন্য সাধারণ একটি ভবন নির্মাণ নীতিমালা করার পরামর্শ দেন।

অনলাইন ডেস্ক