বিয়ের পর ধর্ষণের ধারণা ভারতের জন্য নয়!
বিয়ের পর ধর্ষণের যে ধারণা আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত, ভারতীয় প্রেক্ষাপটে তার প্রয়োগ অসম্ভব। গতকাল বৃহস্পতিবার ভারতের পার্লামেন্টে এক প্রশ্নের জবাবে নারী ও শিশু উন্নয়নবিষয়ক ইউনিয়ন মন্ত্রী মেনকা গান্ধী এ কথা বলেন।
টাইমস অব ইন্ডিয়া জানায়, বৈবাহিক ধর্ষণের বিষয়টি অপরাধ হিসেবে গণ্য করতে কেন্দ্রীয় সরকারের কোনো পরিকল্পনা আছে কি না, জানতে চেয়ে গতকাল ভারতের পার্লামেন্টে প্রশ্ন করা হয়। এর উত্তরে মেনকা গান্ধী বলেন, বিষয়টি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত হলেও বিভিন্ন কারণে ভারতে এর প্রয়োগ করা অসম্ভব। এই কারণগুলোর মধ্যে আছে শিক্ষাগত যোগ্যতা, নিরক্ষরতা, দারিদ্র্য, বিভিন্ন সামাজিক প্রথা ও মূল্যবোধ, ধর্মীয় বিশ্বাস ইত্যাদি।
মন্ত্রী আরো বলেন, বিয়েকে একটি আধ্যাত্মিক বিষয় হিসেবে দেখেন ভারতীয়রা।
রাজ্যসভায় অপর এক প্রশ্নের উত্তরে মেনকা গান্ধী বলেন, নারীদের যেকোনো সহায়তায় ২৪ ঘণ্টাই যোগাযোগ করতে পারবেন এমন টেলিফোন নম্বর চালু করার বিষয়টি বাস্তবায়নের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এমন জরুরি টেলিফোন ব্যবস্থা এখন বাস্তবায়নের পথে আছে। পরিবার, সমাজ, কর্মক্ষেত্র এবং সরকারি বা বেসরকারি কোনো স্থানে কোনো নারী হেনস্তা বা সহিংসতার শিকার হলে তা সরাসরি জানাতে পারবেন জরুরি টেলিফোন নম্বরে। মন্ত্রী আরো বলেন, জরুরি সেবা ব্যবস্থা চালু করতে সব রাজ্য ও ইউনিয়ন অঞ্চলকে পুনরায় প্রস্তাব জমা দিতে বলা হয়েছে। ৩৩টি রাজ্য ও ইউনিয়ন অঞ্চলে নারীদের জন্য জরুরি সেবা টেলিফোন ব্যবস্থা চালুর জন্য অর্থ অনুমোদন করা হয়েছে।
নারী ও শিশু উন্নয়নবিষয়ক ইউনিয়ন মন্ত্রী আরো বলেন, নারীদের উন্নয়নে জেলাভিত্তিক কমিটি গঠনের বিষয়েও তাঁর মন্ত্রণালয়ের পরিকল্পনা আছে। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়নি।

অনলাইন ডেস্ক