ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের ভয়ে বাঙ্কারে লাখ লাখ ইসরায়েলি
ইরান ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধ দ্বিতীয় সপ্তাহে প্রবেশ করেছে। এই যুদ্ধের তীব্রতা এক ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। মধ্যরাত থেকে ইরান অন্তত পাঁচটি শক্তিশালী ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করার পর ইসরায়েল জুড়ে সাইরেন বেজে ওঠে। এর ফলে কয়েক লাখ ইসরায়েলি নাগরিক রাতভর বাঙ্কার ও আশ্রয়কেন্দ্রে থাকতে বাধ্য হন। খবর আল জাজিরার।
ইসরায়েলি বিশ্লেষকদের মতে, ইরান বিভিন্ন সময়ে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে ইসরায়েলিদের দীর্ঘক্ষণ বাঙ্কারে আটকে রাখছে। এটি মূলত ইসরায়েলি সরকারের ওপর জনচাপ সৃষ্টি করার একটি কৌশল। ইসরায়েলি নিরাপত্তা সংস্থাগুলো যুদ্ধের প্রথম সপ্তাহে ইরান থেকে অন্তত এক হাজারটি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার আশঙ্কা করেছিল। তবে বাস্তবে এখন পর্যন্ত মাত্র ২০০টি ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়েছে।
ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর দাবি, এটি তাদের ‘অপারেশনাল সাফল্য’। ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ ক্ষমতার দুর্বলতাকে ইঙ্গিত করে।
এদিকে, পাল্টা হামলায় তেহরানসহ ইরানের বিভিন্ন প্রান্ত ব্যাপক বিস্ফোরণের শব্দে প্রকম্পিত হচ্ছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের ওপর হামলা অব্যাহত রেখে তেহরানের ‘নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ’ দাবি করেছেন।
ট্রাম্পের এই অনমনীয় অবস্থানের মধ্যেই ইরান, ইসরায়েল ও উপসাগরীয় দেশগুলোর সামরিক ও তেল স্থাপনা লক্ষ্য করে ড্রোন এবং ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।

এনটিভি অনলাইন ডেস্ক