‘হরমুজ প্রণালী ‘মাসের পর মাস’ বন্ধ থাকতে পারে’
তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ফোয়াদ ইজাদি বলেছেন, বিশ্ব অর্থনীতির অন্যতম প্রধান ধমনী ‘হরমুজ প্রণালী’ মাসের পর মাস বন্ধ থাকতে পারে। বিশ্বের মোট খনিজ তেলের প্রায় ২০ শতাংশ এই পথ দিয়ে পরিবাহিত হয়। কৌশলগত জলপথটি বন্ধ করে দেওয়াকে তিনি এই যুদ্ধে ইরানের অন্যতম ‘শক্তিশালী অস্ত্র’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।
আজ বুধবার (১১ মার্চ) এক বিবৃতিতে তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এসব কথা বলেন। খবর আলজাজিরার।
অধ্যাপক ইজাদি বলেন, এই পথ বন্ধ করলে ইরানের বৈশ্বিক ভাবমূর্তি বা জনপ্রিয়তার ওপর প্রভাব পড়বে কি না, তা নিয়ে ইরান সরকার চিন্তিত নয়। তার ভাষ্যমতে, ইরান জনপ্রিয়তা খুঁজছে না; বরং দেশটি চায় তাদের সীমান্ত সুরক্ষিত থাকুক এবং ইসরায়েল ও আমেরিকার এই নিয়মিত হামলা চিরতরে বন্ধ হোক।
তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আরও যুক্তি দেন, দুটি পারমাণবিক শক্তিধর রাষ্ট্র যখন প্রতি কয়েক মাস অন্তর আক্রমণ চালাচ্ছে, তখন ইরানের পক্ষে স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় রাখা সম্ভব নয়। গত ১২ দিনে ইরানের যে কয়েক বিলিয়ন ডলারের অর্থনৈতিক ক্ষতি হয়েছে, তার প্রতিশোধ বা ক্ষতিপূরণ আদায় করা জরুরি বলে তিনি মনে করেন।
ইজাদি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, আর্থিক ক্ষতিপূরণের বিষয়টি সমাধান না হওয়া পর্যন্ত হরমুজ প্রণালী দীর্ঘ সময়ের জন্য বন্ধই থাকবে। এছাড়া ইরানের বর্তমান শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের চেষ্টাকে তিনি একটি ‘দিবাস্বপ্ন’ হিসেবে আখ্যা দেন।

এনটিভি অনলাইন ডেস্ক