সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতায় ধস, ২৫ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতায় ধস নেমেছে, যা গত ২৫ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন স্তরে রয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডারের (আরএসএফ) এক সতর্কবার্তায় এমন চিত্র উঠে এসেছে।
বার্তা সংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদনে দুটি উদাহরণ তুলে ধরে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার ধসের চিত্র দেখানো হয়। প্রথমটি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাংবাদিকদের ওপর ‘পদ্ধতিগত’ আক্রমণ আর দ্বিতীয়টি ২০২৫ সালে সৌদি আরবে এক সাংবাদিকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর।
আরএসএফের সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, গত ২৫ বছরের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো বিশ্বের অর্ধেকেরও বেশি দেশে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা ‘কঠিন’ অথবা ‘খুবই গুরুতর’ অবস্থায় পৌঁছেছে। এছাড়া সকল দেশের গড় নম্বর এতটাই নিচে নেমেছে, যা আগে কখনও এতটা নিচে নামেনি।
আরএসএফ জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থার আরও অবনতি হয়েছে। ২০২৪ সালে ডোনাল্ড ট্রাম্প যখন পুনরায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন তখন ‘মোটামুটি ভালো’থেকে দেশটি ‘সমস্যাযুক্ত’ অবস্থায় নেমেছিল। আর এখন দেশটির অবস্থা আরও অবনতি হয়ে সাত ধাপ নেমে ৬৪-তে এসেছে।
আরএসএফ জানায়, যুক্তরাষ্ট্রে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার স্তর নিচে নামার পেছনে আরেকটি বড় কারণ সালভাদোরান সাংবাদিক মারিও গুয়েভারাকে আটক ও বহিষ্কার। এমনকি আন্তর্জাতিক সম্প্রচারমাধ্যমে ফান্ডিং কমিয়ে দেওয়ার মতো ঘটনাও ঘটেছে।
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতায় রাশিয়ার অবস্থাও শোচনীয়। ২০২৬ সালের এপ্রিল পর্যন্ত দেশটিতে ৪৮ জন সাংবাদিক কারাগারে রয়েছেন।
তালিকায় সবচেয়ে বড় পতন হয়েছে সেনাশাসিত দেশ নাইজারের। ৩৭ ধাপ অবনতি হয়ে এখন তাদের অবস্থান ১২০তম।

এনটিভি অনলাইন ডেস্ক