দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সর্বোচ্চ মুদ্রাস্ফীতির কবলে ইরান
ইরানের রাজধানী তেহরানের পশ্চিমে অবস্থিত জনপ্রিয় 'বাস্তান' বাজারে একসময় তাজা রুটি ও ফলের লোভনীয় সুবাসের সাথে রঙিন কাপড় এবং পোশাকের দৃশ্য মিলেমিশে একাকার হয়ে যেত, তবে সেখানকার দৃশ্যপটে এখন আর সেই চিরচেনা আনন্দ নেই। পথচারীরা বিক্রেতাদের স্টলের চারপাশে ঘুরে বেড়াচ্ছেন, পণ্যগুলো যত্ন সহকারে উল্টেপাল্টে দেখছেন এবং শেষমেশ আবার তা যথাস্থানে রেখে দিচ্ছেন।
‘নিত্যদিনের কেনাকাটার সফরগুলো এখন নতুন দাম জানার জন্য অনেকটা অনুসন্ধান অভিযানে রূপ নিয়েছে,’ এ কথা বলছিলেন ৬৩ বছর বয়সী অবসরপ্রাপ্ত মাশহাদি ফিরোজ, যিনি এই রাস্তায় প্রাণচঞ্চলতায় ভরা তাঁর যৌবনের দিনগুলোর স্মৃতিচারণ করছিলেন। ফিরোজ একটি বড় মুদি দোকানের তাকগুলোর সামনে দাঁড়িয়ে এক এক করে পণ্যগুলো উল্টেপাল্টে দেখছেন এবং প্যাকেটের গায়ে লেখা দাম খুঁজছেন।
আল জাজিরাকে ফিরোজ বলেন, ‘এক বছর আগে এক কেজি চালের দাম ছিল প্রায় ১৮ লাখ রিয়াল (১.৩১ ডলার), কিন্তু আজ তা ৫০ লাখ রিয়ালের (৩.৬৩ ডলার) সীমা ছাড়িয়ে গেছে। একইভাবে, গত বছরের বসন্তকাল পর্যন্ত এক বোতল ভোজ্যতেলের দাম ছিল প্রায় ৭ লাখ রিয়াল (০.৫১ ডলার), কিন্তু এখন তার দাম ৩০ লাখ রিয়ালের (২.১৮ ডলার) বেশি হয়েছে।’
চরম ক্ষোভ ও হতাশা নিয়ে মাশহাদি ফিরোজ বলতে থাকেন, ‘আমার পেনশন দিয়ে সংসারের খরচের এক-তৃতীয়াংশও মেটানো সম্ভব হয় না। আমরা দারিদ্র্যের এক ভয়াবহ বিস্তার চোখে দেখছি। এটি কেবল চরম দারিদ্র্যই নয়, একে বলা যেতে পারে অবসরপ্রাপ্ত ও চাকরিজীবীদের দারিদ্র্য। কারণ কয়েক দশকের মধ্যে এই প্রথম স্থির আয়ের মানুষজন দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করছেন।’
ফিরোজ আরও বলেন, ‘আমরা শুধু চড়া দামের কারণেই অভিযোগ করছি না, বরং দাম বাড়ার গতির কারণেও অভিযোগ করছি, যা আমাদের একটু নিঃশ্বাস ফেলার সুযোগও দিচ্ছে না।’
‘এক এক করে ডিম গোনা’
মাত্র কয়েক মিটার দূরে, ৪৬ বছর বয়সী গৃহিণী ও তিন সন্তানের জননী ফাতিমা আল জাজিরাকে বলেন, মূল্যবৃদ্ধির সাথে তাল মিলিয়ে চলতে তাঁকে প্রতি সপ্তাহে একাধিকবার বাজারে আসতে হয়।
ফাতিমা বলেন, ‘কোনো কিছুর প্রয়োজন থাকার কারণে নয়, বরং এমন কোনো বিক্রেতা আছে কি না যে কম দামে পণ্য দিচ্ছে, অথবা মুদ্রাস্ফীতির ঢেউ এখনো কোনো পণ্যের ওপর এসে লেগেছে কি না—তা দেখতে আমি এখন সপ্তাহে একবারের পরিবর্তে তিনবার বাজারে আসি। লাল মাংস (গরু/খাসি) এখন একটি স্বপ্নে পরিণত হয়েছে, মুরগি আমাদের খাবারের টেবিলে কেবলই একজন অতিথি, আর আমি তো এখন ডিমও এক এক করে গণনা করা শুরু করেছি।’
ফাতিমা বলেন, দিন বা সপ্তাহের ব্যবধানে দাম দ্বিগুণ হওয়ার কথা শোনা এখন আর অস্বাভাবিক কিছু নয়। তবে মুদ্রাস্ফীতি এখন আর এমন কোনো ভূমিকম্প নয় যা সবাইকে সমানভাবে আঘাত করে, বরং এটি একটি বেছে বেছে আক্রমণ করা মহামারীর মতো, যা অন্যদের চেয়ে দুর্বল ও অসহায়দের ওপর বেশি ভর করে। যখন খাবারের দাম বাড়ে, তখন একটি দরিদ্র পরিবার তাদের আয়ের অর্ধেকই এমন সব নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসে হারিয়ে ফেলতে পারে যা ছাড়া তাদের চলবেই না; অথচ একটি ধনী পরিবার হয়তো তা টের পর্যন্ত পাবে না।
তেহরানের দক্ষিণে নারেঞ্জ এলাকার পাইকারি বাজারে, ৭১ বছর বয়সী মুদি বিক্রেতা মেহরান এই সংকটের আরেকটি রূপ তুলে ধরেন। আল জাজিরাকে তিনি বলেন, ‘মুদ্রাস্ফীতি শুধু ক্রেতাকেই আঘাত করেনি, এটি আমাদেরও আঘাত করেছে। মানুষের ক্রয়ক্ষমতা ভেঙে পড়েছে এবং তারা এখন শুধু অপরিহার্য জিনিসগুলোই কিনছে। চার মাসেরও কম সময়ে দাম দ্বিগুণ হয়ে গেছে, তাই আমাদের বিক্রির জন্য রাখা মালের পরিমাণ কমিয়ে দিতে হয়েছে, কিন্তু তা কেনার মতোও কাউকে পাওয়া যাচ্ছে না।’
মেহরান বলেন, ‘আমার ৪০ বছরের কর্মজীবনে আমি কখনো এত খারাপ মন্দা দেখিনি, এমনকি নিষেধাজ্ঞার সবচেয়ে খারাপ সময়েও না।’ তিনি এই মুহূর্তে আর কোনো মুনাফা অর্জনের আশাও করছেন না বলে জানান। মেহরান বলেন, ‘আমি শুধু দেউলিয়া হওয়া থেকে বাঁচতে এবং বাবার কাছ থেকে উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া দোকানটি টিকিয়ে রাখতে লড়াই করছি।’
লাগামহীন মুদ্রাস্ফীতি
সেন্ট্রাল ব্যাংক অব ইরানের (ইরানের কেন্দ্রীয় ব্যাংক) একটি নতুন প্রতিবেদনে বার্ষিক মুদ্রাস্ফীতির হারে একটি ঐতিহাসিক লাফের তথ্য প্রকাশ পেয়েছে। ২১ এপ্রিল থেকে ২০ মে-র মধ্যবর্তী সময়ে আগের বছরের তুলনায় এই হার ৭৭.২ শতাংশে পৌঁছেছে এবং আগের মাসের তুলনায় মাসিক বৃদ্ধি ঘটেছে ৮.৫ শতাংশ। এছাড়া, পণ্যের পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট মুদ্রাস্ফীতি ১১৩ শতাংশে ঠেকেছে।
১৯৪২ সালের দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এটিই ইরানের সর্বোচ্চ মুদ্রাস্ফীতির হার, যে বিশ্বযুদ্ধের সময় খাদ্য সরবরাহ চেইন ভেঙে পড়েছিল এবং পণ্যের দাম আকাশচুম্বী হয়েছিল।
ইরানের চেম্বার অব কমার্স, ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যান্ড মাইনসের প্রধান আরমান খালেঘি এমন এক পরিস্থিতির দিকে ইঙ্গিত করেছেন, যাকে তিনি পাঁচটি উপাদানের সমন্বয়ে তৈরি একটি ‘নিখুঁত অর্থনৈতিক ঝড়’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন—যা একই সাথে ইরানি অর্থনীতির ওপর আছড়ে পড়েছে।
আল জাজিরাকে আরমান খালেঘি বলেন, “আমরা এক মারাত্মক সন্ধিক্ষণের মুখোমুখি হয়েছি: প্রথমত, অগ্রাধিকারমূলক মুদ্রা ব্যবস্থা (নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য আমদানির জন্য ভর্তুকিযুক্ত বিনিময় হার) বাতিল করা, যার কারণে খাদ্যের দাম আকাশচুম্বী হয়েছে; দ্বিতীয়ত, এই বছরের শুরুতে দেশজুড়ে হওয়া বিক্ষোভ, যা বাজার ব্যবস্থাকে ব্যাহত করেছে এবং দেশের নিরাপত্তাকে বিঘ্নিত করেছে; এবং এরপর (মার্কিন-ইসরায়েলি হামলা) ‘রমজান যুদ্ধ’, যার ধ্বংসাত্মক মুদ্রাস্ফীতিমূলক প্রভাবও এর সাথে যুক্ত। এর পরপরই নতুন ফার্সি বছরের শুরুতে বার্ষিক মজুরি ও জ্বালানির দাম বৃদ্ধি এবং সবশেষে নৌ-অবরোধ, যা আমদানি ও রপ্তানি চেইনকে বাধাগ্রস্ত করেছে।”
যুদ্ধের প্রভাবের ক্ষেত্রে খালেঘি মনে করেন যে, এটি কেবল সামরিক ধাক্কাই ছিল না, বরং এটি ছিল একটি ‘আতঙ্ক-চালিত চাহিদার ইঞ্জিন’ যা ভোক্তার আচরণকে আমূল বদলে দিয়েছে। তিনি বলেন, ‘যুদ্ধ শুরু হওয়ার সাথে সাথে মানুষ খাদ্য ও ডিটারজেন্টের মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র মজুত করার জন্য হুড়োহুড়ি শুরু করে। বাজারে বাস্তব কোনো ঘাটতি না থাকা সত্ত্বেও চাহিদা একলাফে বেড়ে যায় এবং এই উন্মত্ত হুড়োহুড়িই দাম বাড়িয়ে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট ছিল।’
এটি পরবর্তীতে উৎপাদন ক্ষেত্রে বড় ধাক্কা দেয়। পেট্রোকেমিক্যালস চালিত প্রাথমিক শিল্পগুলোর ক্ষতি হওয়ার কারণে খাদ্য, ওষুধ ও ডিটারজেন্ট শিল্পের প্যাকেজিং খরচ বেড়ে যায়। এছাড়া ইস্পাত খাতের সমস্যাগুলো গাড়ি ও গৃহস্থালি পণ্যের খাতেও ছড়িয়ে পড়ে এবং কারখানার উৎপাদন থেকে শুরু করে দোকানের তাক পর্যন্ত মুদ্রাস্ফীতির এই সংক্রমণ ছড়িয়ে দেয়।
খালেঘি একটি বাহ্যিক উপাদানের কথা উল্লেখ করেছেন যা ‘চূড়ান্ত আঘাত’ হিসেবে কাজ করেছে, আর তা হলো নৌ-অবরোধ। এই অবরোধের ফলে পণ্যবাহী জাহাজগুলোর জন্য ইরানে আসা একটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ মিশনে পরিণত হয়েছে। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘এমনকি একটি জাহাজকে নিশানা করার সামান্য খবরও সাথে সাথে দাম বাড়িয়ে দেয়; বাস্তব জটিলতা ও দৃশ্যমান ঘাটতির কারণে আরও ব্যয়বহুল বিকল্প স্থলপথ খুঁজতে বাধ্য হওয়ার বিষয়টি তো আছেই। এটি আমদানি প্রক্রিয়াকে একটি অন্ধকার সুড়ঙ্গে ঠেলে দিয়েছে এবং বাজারে আসন্ন সংকটের এক অনুভূতি ছড়িয়ে দিয়েছে, যা আকাশচুম্বী মূল্যে রূপ নিচ্ছে।’
পরিসংখ্যানের বিষয়ে খালেঘি বছরের শুরুতে শ্রমিকদের মজুরি ও বেতন বৃদ্ধির সাথে সমস্ত সরকারি পূর্বাভাস ছাড়িয়ে যাওয়া মুদ্রাস্ফীতির বৈপরীত্যের কথা তুলে ধরেন। এই লুকিয়ে থাকা ট্র্যাজেডি প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘মজুরি ও বেতন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল অগ্রাধিকারমূলক মুদ্রার হার বাতিলের প্রভাব পুষিয়ে নিতে এবং শ্রমজীবী শ্রেণির ক্রয়ক্ষমতা রক্ষা করতে। তবে কাগজে-কলমে এই বৃদ্ধি বড় মনে হলেও বাস্তবে তা সম্পূর্ণ অপর্যাপ্ত প্রমাণিত হয়েছে। এর ফলে প্রকৃত ক্রয়ক্ষমতা মারাত্মকভাবে হ্রাস পেয়েছে, যা প্রথমে গৃহস্থালির সঞ্চয় গ্রাস করছে, তারপর স্বাস্থ্য, চিকিৎসা ও শিক্ষার বাজেট কেড়ে নিচ্ছে এবং শেষ পর্যন্ত দৈনন্দিন খাবারের ওপর আঘাত হানছে।’
অর্থনীতিকে গ্রাস করতে থাকা একটি দুষ্ট চক্রের বিষয়ে সতর্ক করে খালেঘি বলেন, ‘আমরা এমন এক পরিস্থিতিতে আছি যেখানে রাষ্ট্র নিজেই অর্থনৈতিক মন্দার ধকল সহ্য করছে। কর রাজস্ব, যা অগ্রাধিকারমূলক মুদ্রা সংস্কারের খরচের একাংশ পূরণ করার কথা ছিল, তাও সংকুচিত হচ্ছে। ফলে আমরা একটি অসম্ভব সমীকরণের মুখোমুখি হয়েছি- নাগরিকের আয় গলে যাচ্ছে, রাষ্ট্রের আয় ক্ষয়ে যাচ্ছে এবং দাম কয়েক দশকের মধ্যে অদৃশ্য উচ্চতায় ক্রমাগত বেড়েই চলেছে।’
‘হিমশৈলের প্রান্তে দাঁড়িয়ে’
শহরের উত্তর দিকের তাজরীশ স্কয়ারের জনপ্রিয় বাজারটি প্রথম দেখায় ক্রেতাদের ভিড়ে ঠাসা মনে হলেও, দোকানদারদের সাথে কথা বললে সম্পূর্ণ ভিন্ন এক গল্প জানা যায়। ‘আপনার মনে হতে পারে বাজারটি প্রাণবন্ত, কিন্তু এটি আসলে ক্লিনিক্যালি মৃত,’ বলছিলেন ৪৭ বছর বয়সী দোকান মালিক রেজা।
রেজা বলেন, ‘মানুষ এখানে আসে কারণ এই বাজারটিই বিনোদনের শেষ নিখরচায় জায়গা। তারা লক্ষ্যহীনভাবে ঘুরে বেড়ায় এবং সেই দিনগুলোর কথা মনে করে যখন তারা শপিং মলে ঢুকত আর গাড়ির ট্রাঙ্ক ভর্তি ব্যাগ নিয়ে বের হতো। কিন্তু আজ তারা হয়তো কিছুই কেনে না, আর আমি তাদের দোষও দিই না। একজন ব্যবসায়ী হিসেবে আমি নিজেই এখন যা বিক্রি করি তা কেনার সামর্থ্য আমার নেই।’
৩২ বছর বয়সী হিসাবরক্ষক রায়হানেহ বলেন, ‘প্রতিদিন আমি এখান দিয়ে যাওয়ার সময় নিশ্চিতভাবে কিছু না কিছু কিনি, কিন্তু যখন শত শত মানুষকে খালি হাতে ঘুরে বেড়াতে দেখি তখন আমার খুব কষ্ট হয়। তারা কেবল দাম দেখতে আসেনি, কিন্তু মাত্রাতিরিক্ত দামের মুখোমুখি হয়ে তাদের অনেকেই ফিরে চলে যায়।’
তাঁর স্বামী, একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভাষক ৩৭ বছর বয়সী মাহমুদ এই আলোচনায় যোগ দিয়ে আল জাজিরাকে বলেন, ‘আপনি হয়তো এখানে কিছু পণ্যের ক্ষেত্রে ৩০০ শতাংশের বেশি মুদ্রাস্ফীতির কথা শুনবেন এবং মনে করতে পারেন যে এটি যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট কোনো আকস্মিক ধাক্কা। কিন্তু সত্য হলো, কয়েক দশক ধরে তেলের রাজস্বের ওপর নির্ভরতার ফলে পুঞ্জীভূত কাঠামোগত রোগ না থাকলে এই পরিসংখ্যানগুলো সম্ভব হতো না।’
মাহমুদ বলেন, ‘দেশটি পেট্রোডলার দিয়ে তার ক্ষতগুলো ঢেকে রাখত, আর এখন সেই অবশকারী ওষুধের কার্যকারিতা শেষ হয়ে যাওয়ায় সমস্ত রোগ একবারে সামনে চলে এসেছে।’
পণ্যে ঠাসা তাকগুলোর দিকে তাকিয়ে মাহমুদ যুক্তি দেন, ‘যে বিষয়টি আমাকে চিন্তিত করে তা কেবল মূল্যবৃদ্ধি নয়, বরং ত্রুটিপূর্ণ অর্থনৈতিক নীতির পরিণতি নিয়ে বিশেষজ্ঞদের অনুমান—যা এখনো পুরোপুরি সামনে আসেনি, কারণ সেগুলো কার্যত যুদ্ধের কোলাহলের আড়ালে লুকিয়ে রয়েছে।’
মাহমুদ আরও বলেন, ‘এর মানে হলো আমরা একটি হিমশৈলের প্রান্তে দাঁড়িয়ে আছি; আমরা এখন যা দেখছি তা কেবল তার চূড়ামাত্র। পরিস্থিতি আরও খারাপ করে তুলতে আমরা এখন না-যুদ্ধ না-শান্তির এক দোলাচলের মধ্যে আটকে আছি এবং এই ঝুলন্ত অবস্থা একটি ক্লান্ত ও পরিশ্রান্ত অর্থনীতির জন্য সবচেয়ে বড় বিষ।’

এনটিভি অনলাইন ডেস্ক