কাজের বাইরে কোথাও যাই না : আহমেদ শরীফ
রিজওয়ান খানের রচনা ও পরিচালনায় অর্ণিমা ভিশনের প্রযোজনায় বাংলাভিশনে প্রতি বৃহস্পতি, শুক্র ও শনিবার রাত ৮ টা ১৫ মিনিটে প্রচারিত হচ্ছে মেগা ধারাবাহিক নাটক ‘সহযাত্রী’। নাটকটিতে অভিনয় করছেন এক সময়ে সারা জাগানো ভিলেন আহমেদ শরীফ। তিনি মনে করেন, এই নাটকে তাঁকে সঠিকভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। নাটকে আরো অভিনয় করছেন আনিসুর রহমান মিলন, শাহেদ, আ খ ম হাসান, সাজু খাদেম, ফজলুর রহমান বাবু, প্রেম, গোলাম ফরিদা ছন্দা, বাঁধন, অহনা, আলভী, ইশানা, দিহান, পিজে হেলেন, নিঝুম, বাদল, ইমুসহ আরো অনেকে।
আহমেদ শরীফ এনটিভি অনলাইনকে বলেন, ‘এখন আর কাজের বাইরে কোথাও যাই না। ভালো কাজ না হলে করতেও চাই না। এ নাটকের বিষয়ে আমাকে এভাবেই বলা হয়েছিল যে এই অভিনয়টা আমাকে ছাড়া আর কাউকে দিয়ে হবে না। আমি গল্পটা পড়েই রাজি হয়ে যাই। আমার অভিনয় জীবনে আমার নিজের একটা ইমেজ তৈরি হয়েছে, আমার প্রতি দর্শকদের একটা আকাঙ্ক্ষা তৈরি হয়েছে। এই নাটকে দর্শক আমাকে এবং আমার চরিত্রের গভীরতা খুঁজে পাবে। আশা করি দর্শকদের কাছে কাজটি ভালো লাগবে।’
গল্পে দেখা যাবে আনিসুর রহমান মিলন, আ খ ম হাসান, সাজু খাদেম একই অফিসে চাকরি করেন ফজলুর রহমান বাবুর অধীনে। এদের তিনজনের স্ত্রীর চরিত্রে অভিনয় করছেন ছন্দা, আলভী ও অহনা। ফজলুর রহমান বাবুর স্ত্রী দিহান তাকে ছেড়ে চলে গেছে। সে একাকী জীবনযাপন করে। তাই অফিসের কাজ শেষ হওয়ার পরও মিলন, হাসান ও সাজু এই তিনজনকে সব সময় ব্যস্ত করে রাখে বাবু, নিজের একাকী সময় কাটানোর জন্য। ওদিকে মিলন, হাসান ও সাজুর বউ আবার খুব রাগী। বউদের কথা হচ্ছে, অফিস ছুটির পর ৬টার মধ্যে বাসায় ফিরতে হবে। কিন্তু তারা কেউই ঠিক সময়ে বাসায় আসতে পারে না বাবুর জন্য। ঘটনাক্রমে তারা তিনজন মিলে খুন করে ফেলে বাবুকে। তারপর শাহেদ আসে ডিবি অফিসার হিসেবে তদন্ত করার জন্য। এদিকে আহমেদ শরীফ ও তার মেয়ে হুন্ডির ব্যবসা করে। তাদের হুন্ডির কোটি টাকা হারিয়ে যায়। সেই টাকা ভর্তি ব্যাগটা পায় আনিসুর রহমান মিলন। এই রকম নানা নতুন ঘটনা নিয়েই এগিয়ে যায় ‘সহযাত্রী’র গল্প।
নাটকটি সম্পর্কে প্রযোজক প্রেম বলেন, ‘এই নাটকটির জন্য দর্শকমহলসহ সবার কাছ থেকে বেশ ভালো সাড়া পাচ্ছি। তা ছাড়া আমরা সবসময় অনেক যত্ন করে প্রোডাকশন বানাই। আমরা ভালো ও প্রতিষ্ঠিত অভিনেতা অভিনেত্রীদের পাশাপাশি নতুন শিল্পীদেরও সুযোগ দেওয়ার যথাসাধ্য চেষ্টা করি। তাই দর্শকরা একটি ভালো গল্প ও নাটক উপভোগ করতে পারছে বলে আমার বিশ্বাস। এই নাটক আমি উৎসর্গ করেছি আমার গুরু শ্রদ্ধেয় চলচ্চিত্র পরিচালক স্বর্গীয় সুভাষ দত্ত দাদুকে। আমার সব কাজের অনুপ্রেরণা তিনি। উনি থাকলে আমার পথ চলাটা আরো সহজ হতো।’

মাজহার বাবু