‘মা বাবা সন্তান’ দেখে দর্শক হতাশ
গত ৪ সেপ্টেম্বর শুক্রবার মুক্তি পেয়েছে এ আর মুকুল নেত্রবাদী পরিচালিত ছবি ‘মা বাবা সন্তান’। সিনেমার কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন নবাগত চমক তারা ও ফাহিম। কিন্তু এতে কোনো ‘চমক’ না থাকায় ব্যবসা করতে পারছে না ছবিটি।
বিভিন্ন হল ঘুরে দেখা যায় বিরতির আগেই দর্শকরা হল ছেড়ে বেরিয়ে যাচ্ছেন। দর্শকদের বিরূপ প্রতিক্রিয়ার কারণে এই ছবি নিয়ে হতাশা ব্যক্ত করলেন হল ম্যনেজাররাও।
ঢাকার টঙ্গীতে চম্পাকলি সিনেমা হলের ম্যানেজার মোহাম্মদ কালাম এনটিভি অনলাইনকে বলেন, ‘ছবিটি দর্শক টানতে পারছে না- কারণ এতে কোনো গল্প নেই। নবাগত যাঁরা কাজ করেছেন ছবিতে তাঁদের অভিনয়ও মানসম্পন্ন হয়নি। তাহলে কেন দর্শকরা ছবি দেখবেন? আমাদের হলে মোটামুটি মানের একটা ছবি আনলেও হাউজফুল শো হয়। কিন্তু এই ছবির ক্ষেত্রে কোনো ইতিবাচক লক্ষ্মণ আমরা দেখতে পাচ্ছি না। বরং এ ধরনের ছবির জন্য দর্শকরা হলবিমুখ হয়ে পড়েন। সিনেমা দেখতে এসে মানুষ বিরক্ত হয়ে চলে যাচ্ছে।’
প্রতি শুক্রবারই টঙ্গীর ওই হলে ছবি দেখেন গার্মেন্টকর্মী লাবনি ও তাঁর বন্ধুরা। এনটিভি অনলাইনকে তাঁরা বলেন, ‘রানা প্লাজা ছবিটা এই শুক্রবারে মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল। সেটা দেখার খুব ইচ্ছা ছিল। কিন্তু হলে এসে এমন একটা ছবি দেখলাম যে এক ঘণ্টা পরই বেরিয়ে এসেছি। টাকা ও সময় দুইটাই নষ্ট হলো।’
সচেতন ফিল্ম মিডিয়া পরিবেশিত ও কাজী মো. আসলাম মিয়া প্রযোজিত ‘মা বাবা সন্তান’ ছবিতে গান রয়েছে পাঁচটি। এর মধ্যে একটি আইটেম গানও রয়েছে। গানগুলোতে কণ্ঠ দিয়েছেন আলম আরা মিনু, কনা, আরিফ ও আঁখি আলমগীর।
এর আগে ছবিটিকে প্রদর্শনের অযোগ্য ঘোষণা করেছিল বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সেন্সর বোর্ড। কারণ হিসেবে তারা জানিয়েছিল, এ ছবির প্রধান অভিনেতা ফাহিমের চরিত্রের ব্যাপ্তি কম। এ ছাড়া আরো অভিযোগ আনা হয়, গুরুত্বপূর্ণ নয় এমন দুটি কমেডি চরিত্রকেই বেশি প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে ছবিটিতে। তবে পরে এসব সমস্যা কাটিয়ে ওঠায় ছবিটি সেন্সর ছাড়পত্র পেয়ে মুক্তি পায়।
প্রথমে ছবিটির নাম রাখা হয়েছিল ‘শাদী’। তবে পরবর্তী সময়ে নাম পাল্টে মুক্তি দেওয়া হয় ছবিটি। কেন্দ্রীয় চরিত্রে নবাগত চমক তারা ও ফাহিম ছাড়া সিনেমাটিতে আরো অভিনয় করেছেন ইলিয়াস জাবেদ, রেহেনা জলি, সুব্রত প্রমুখ।

মাজহার বাবু