রাজনৈতিক বিরোধে ইয়াশ-নীহা!
ইয়াশ রোহান ও নাজনীন নীহাকে নিয়ে পলিটিক্যাল থ্রিলার নাটক ‘জনম জনমে’। দলীয় রাজনীতি, ক্ষমতার লড়াই আর সেই আবহে জন্ম নেওয়া এক সম্পর্ক—এই নিয়েই এগিয়েছে গল্প।
নাটকটির কাহিনি আবর্তিত হয়েছে দুই উপজেলা চেয়ারম্যানকে ঘিরে। একজন বর্তমান, অন্যজন সাবেক। আসন্ন নির্বাচনে নমিনেশন পাওয়াকে কেন্দ্র করে দু’জনের মধ্যে তৈরি হয় তীব্র রাজনৈতিক বিরোধ। সেই দ্বন্দ্বের মাঝখানেই জড়িয়ে পড়ে তাদের সন্তানরা—একজনের ছেলে, অন্যজনের মেয়ে।
এই দুই চরিত্রে অভিনয় করেছেন ইয়াশ রোহান ও নাজনীন নীহা। রায়হান মাহামুদের গল্পে এবং ব্যানারে নাটকটি নির্মাণ করেছেন মোঃ তৌফিকুল ইসলাম। রাজনৈতিক রোমান্টিক থ্রিলার ঘরানার এই নাটকে আরও অভিনয় করেছেন ফজলুর রহমান বাবু, লুৎফর রহমান জর্জ, শতাব্দী ওয়াদুদ, মিলি বাশার, পলিনসহ আরও অনেকে।
গল্পের বিস্তারিত প্রকাশে অনীহা প্রকাশ করেছেন নির্মাতা তৌফিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘যেহেতু এটি পলিটিক্যাল রোমান্টিক থ্রিলার, তাই গল্পের বিষয়ে বেশি কিছু বলতে চাই না। তবে এটুকু বলতে পারি, রাজনীতির বাস্তবতা এখানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। সবাই নিজ নিজ চরিত্রে কাজ করেছেন।’
নাটকটির শুরুতে দেখা যায়, বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান আলতাফ হোসেন ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মোতালেব মিয়া পাশাপাশি বাসায় থাকেন। সম্পর্কটা বাইরে থেকে স্বাভাবিক মনে হলেও ভেতরে রয়েছে রাজনৈতিক টানাপোড়েন। দু’জনই পরবর্তী নির্বাচনে নমিনেশন প্রত্যাশী। আলতাফ হোসেনের মেয়ে নিদ্রা পড়াশোনা শেষ করে বাবার সঙ্গে রাজনীতিতে যুক্ত। অন্যদিকে মোতালেব মিয়ার ছেলে পুলকও বাবার পক্ষ নিয়ে সক্রিয়। নিদ্রা ও পুলকের সম্পর্ক একেবারেই দা-কুমড়া—দু’জনেই নিজ নিজ গ্যাং নিয়ে চলাফেরা করে।
এই বিরোধে অতিষ্ঠ হয়ে এলাকার মানুষ সমাধানের আশায় দ্বারস্থ হয় ফজলুর রহমানের চরিত্রটির কাছে। তিনি রাজনীতির বাইরে থাকা, এলাকায় সর্বজন শ্রদ্ধেয় এক অভিভাবক—যাকে সমীহ করেন আলতাফ হোসেন ও মোতালেব মিয়া দু’জনই। এখান থেকেই ‘জনম জনমে’র মূল গল্প নতুন মোড় নেয়।
প্রযোজক এসকে সাহেদ আলী পাপ্পু জানান, নাটকটি ইউটিউব চ্যানেলে আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের আগেই মুক্তি পাবে। তিনি বলেন, ‘এই গল্পের সঙ্গে জাতীয় নির্বাচনের সরাসরি কোনো সম্পর্ক নেই। এটি মূলত একটি গ্রামীণ প্রেমের গল্প, যার পটভূমিতে রয়েছে রাজনৈতিক বাস্তবতা। সময়ের আবহের কারণেই আমরা এই সময়ে নাটকটি মুক্তি দিতে চাচ্ছি।’

বিনোদন ডেস্ক