সাদিয়া আয়মানের পোষা বিড়াল ‘আলু’ এবার পর্দায়
পারিবারিক সম্পর্ক, দায়িত্ববোধ ও পোষা প্রাণীর প্রতি মমতার গল্প নিয়ে আসছে ওয়েব ফিল্ম ‘মিউ’। এটি নির্মাণ করেছেন আতিক জামান। তার প্রত্যাশা, ওয়েব ফিল্মটি দর্শকদের মন ছুঁয়ে যাবে। তিনি বলেন, ‘এটি মূলত একটি পরিবারের গল্প, তবে পোষা প্রাণীর উপস্থিতি আলাদা মাত্রা এনে দিয়েছে এতে। যদিও এই ফিল্মের মূল শক্তি পরিবারের সদস্যদের হরেক অনুভূতি, সম্পর্কের জটিলতা ও ভাঙাগড়ার ভেতরেই নিহিত। প্রতিটি পরিবারে থাকে ভালোবাসা, অভিমান, দায়বদ্ধতা ও নীরব নির্ভরতার গল্প। কখনও সেই গল্পে মানুষ কথা বলে, কখনও নরম লোমশ প্রাণী নীরবে জায়গা করে নেয় পরিবারের হৃদয়ে।’
নির্মাতা আতিক জামান বলেন, ‘গল্পটা শুরুতে যেমন ছিল, শেষ পর্যন্ত আর তেমন থাকেনি। বিভিন্ন রকম যুক্তি-তর্কের পর আমরা একটি পারিবারিক ও মানবিক গল্প দাঁড় করাতে পেরেছি বলে মনে হচ্ছে। একটি পরিবারের মধ্যকার সব ধরনের অনুভূতি এই গল্পে রয়েছে। এর সঙ্গে পোষা প্রাণী একটা বাড়তি আবেদন যোগ করেছে। আমি বলবো, বিড়ালটি মোড় ঘুড়িয়ে দিয়েছে বা নতুন এক উপলব্ধি তৈরি করেছে।’
ফিল্মটিতে অভিনয় করেছেন আফসানা মিমি, আফজাল হোসেন, সাদিয়া আয়মান, রাকিব হোসেন ইভন, ইশতিয়াক আহমেদ রুমেল ও আজিজুল হাকিম প্রমুখ। গল্পে বাবা–মায়ের চরিত্রে আছেন আফসানা মিমি ও আজিজুল হাকিম।
আফসানা মিমি বলেন, ‘প্রতিটি পরিবারেই মা এক ধরনের রাজনৈতিক চরিত্র—কখনও বকা, কখনও ভালোবাসা, কখনও বঞ্চনা—সব মিলিয়েই পরিবার টিকে থাকে।’ অন্যদিকে রাকিব হোসেন ইভন জানান, নিম্ন-মধ্যবিত্ত শহুরে পরিবারের বড় ছেলের দায়িত্ব ও অসহায়ত্বের গল্প দর্শকের নিজের জীবনের সঙ্গেই মিলে যাবে।
ছবিটির বিশেষ আকর্ষণ সাদিয়া আয়মানের বাস্তব জীবনের পোষা বিড়াল ‘আলু’। যে ফিল্মে অভিনয়ও করেছে। সাদিয়া বলেন, ‘পোষা প্রাণীর অনুভূতি ও নির্ভরতার জায়গাটা এই গল্প দর্শকদের ভাবাবে।’ছোটবেলায় হারিয়ে যাওয়া নিজের বিড়াল ‘মিউ’-এর স্মৃতিও এ ছবির সঙ্গে জড়িয়ে আছে তাঁর।
গল্প লিখেছেন মো আলম ভূঁইয়া। নির্মাতা ও গল্পকার মিলে করেছেন চিত্রনাট্য ও সংলাপ। নির্মাতার আশা, পারিবারিক আবেগ আর পোষা প্রাণীর মমতায় ‘মিউ’ দর্শকের মনে নরম এক দাগ কেটে যাবে। আগামী ৪ মার্চ রাত ১২টায় চরকিতে মুক্তি পাবে এই ওয়েব ফিল্মটি।

বিনোদন ডেস্ক