চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী ‘মধুভাত’ খেয়ে মুগ্ধ জয়া আহসান, সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড়
অভিনয়ের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও নিয়মিত সরব দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান। ভ্রমণ, প্রকৃতি কিংবা বিভিন্ন অঞ্চলের সংস্কৃতি নিয়ে তার ভিন্নধর্মী পোস্ট প্রায়ই ভক্তদের নজর কাড়ে। এবার চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী খাবার ‘মধুভাত’ খেয়ে নতুন করে আলোচনায় এসেছেন এই গুণী অভিনেত্রী।
সম্প্রতি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি ভিডিও শেয়ার করেন জয়া আহসান। প্রকাশের পরপরই ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সাড়া ফেলে এবং ভক্ত-অনুরাগীদের মধ্যে তুমুল আগ্রহ তৈরি করে।
ভিডিওতে দেখা যায়, চমৎকার সবুজ রঙের পোশাকে সজ্জিত জয়া একটি টেবিলের সামনে বসে আছেন। আর তার সামনে মাটির পাত্রে অত্যন্ত নান্দনিকভাবে পরিবেশন করা হয়েছে চট্টগ্রামের সেই বিখ্যাত ‘মধুভাত’।
ভিডিওতে জয়া জানান, মধুভাতের নাম তিনি বহুবার শুনলেও এবারই প্রথম এটি চেখে দেখার সুযোগ পেলেন। খাবারটি নিয়ে আগে থেকেই তার মনে দারুণ কৌতূহল ও আগ্রহ ছিল।
জানতে চাইলে জানা যায়, মধুভাত হলো এক ধরনের ফারমেন্টেড বা বিশেষ প্রক্রিয়ায় প্রস্তুত মিষ্টি ভাত। সাধারণত পোলাওয়ের চাল, জ্বালা চাল (অঙ্কুরিত চাল), নারকেল ও নারকেলের দুধসহ বিভিন্ন উপকরণ দিয়ে বিশেষ নিয়মে এই ঐতিহ্যবাহী খাবারটি তৈরি করা হয়।
ভিডিওর এক পর্যায়ে দেখা যায়, বড় কাঠের চামচ দিয়ে মাটির পাত্র থেকে মধুভাত তুলে নারকেলের খোলের তৈরি ছোট বাটিতে নিচ্ছেন জয়া। এরপর হাত দিয়ে খাবারটি মুখে নিয়ে পরম তৃপ্তিতে এর স্বাদ গ্রহণ করেন তিনি।
প্রথমবারের অভিজ্ঞতাতেই মধুভাতের স্বাদে রীতিমতো মুগ্ধতা প্রকাশ করেন এই অভিনেত্রী। তার মুখের অভিব্যক্তি ও প্রতিক্রিয়া দেখেই সহজে বোঝা যাচ্ছিল, খাবারটি তাকে বেশ আনন্দ দিয়েছে।
ভিডিওটি প্রকাশের পর মন্তব্যের ঘরে ভিড় জমান তার ভক্ত-অনুরাগীরা। অনেকেই মধুভাতের স্বাদ ও ঐতিহ্য নিয়ে নিজেদের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন। চট্টগ্রামের স্থানীয় পাঠকেরা জানান, এটি খেলে এক ধরনের বিশেষ ‘ঘুম ঘুম’ ভাব তৈরি হয়, যা এই খাবারের অন্যতম বৈশিষ্ট্য।
একই সাথে অনেকে জয়ার পোশাক ও ভিডিওর নান্দনিক পরিবেশের রঙের সামঞ্জস্য নিয়ে বেশ প্রশংসা করেন। সব মিলিয়ে, প্রথমবার ‘মধুভাত’ খাওয়ার অভিজ্ঞতা শেয়ার করে তরুণ প্রজন্মের মধ্যেও ঐতিহ্যবাহী এই খাবারটি নিয়ে নতুন করে আগ্রহ জাগিয়েছেন জয়া আহসান।

বিনোদন ডেস্ক