সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ছুটছেন মিম, সামনে ‘লাইফলাইন’
জীবনের পথে কখনও কখনও সময়ই সবচেয়ে বড় প্রতিপক্ষ হয়ে দাঁড়ায়। মানুষকে এমন সব সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করে, যা সে কোনো দিন কল্পনাও করেনি। এমন এক আবেগঘন গল্প নিয়েই নির্মাতা কাজী আসাদ নির্মাণ করেছেন অরিজিনাল ওয়েব ফিল্ম ‘লাইফলাইন’।
এই ফিল্মের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো দেশীয় ওটিটি প্ল্যাটফর্ম চরকির কোনো প্রযোজনায় অভিনয় করেছেন বিদ্যা সিনহা মিম। তার সঙ্গে রয়েছেন রেজওয়ান পারভেজ, গাজী রাকায়েত, আ খ ম হাসান, খায়রুল আলম সবুজ, নাজনীন হাসান চুমকি, আনিসা নূর আয়াত ও ফাতেমাতুজ জোহরা ইভা।
সম্প্রতি প্রকাশিত ট্রেলারে দেখা যায়, অনন্যা চরিত্রে মিম এক রহস্যময় অনুসন্ধানে নেমেছেন। তার এই যাত্রার সঙ্গী রেজওয়ান পারভেজের চরিত্র। দুর্গম পথে মোটরসাইকেলে ছুটে চলা, মতবিরোধ ও নানা টানাপোড়েনের মধ্য দিয়ে এগিয়ে যায় তাদের পথচলা, যা গল্পের প্রতি কৌতূহল আরও বাড়িয়ে দেয়।
নির্মাতা কাজী আসাদের ভাষ্য, ভালোবাসার টানে একজন মানুষ কত দূর যেতে পারে এবং প্রিয়জনের জন্য কত বড় ঝুঁকি নিতে পারে—সেই প্রশ্নের উত্তর খোঁজার চেষ্টা করা হয়েছে ‘লাইফলাইন’-এ। একই সঙ্গে এতে সামাজিক সচেতনতা ও মানবিক অনুভূতির বিষয়ও উঠে এসেছে।
অভিনেতা রেজওয়ান পারভেজ মনে করেন, এটি দায়িত্ববোধ, ভালোবাসা ও অনুভূতির গল্প। তার মতে, ফিল্মটি দর্শকদের নতুনভাবে ভাবতে উদ্বুদ্ধ করবে। থিমেটিক পোস্টারের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, বালুঘড়ির ভেতরে অনন্যার অবস্থান সময়ের সঙ্গে তার লড়াইয়ের প্রতীক, যার পরিণতি জানতে পুরো ফিল্ম দেখতে হবে।
চরকির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেদওয়ান রনি বলেন, দর্শকদের জন্য নতুন ধরনের গল্প উপস্থাপনের ধারাবাহিক প্রচেষ্টার অংশ ‘লাইফলাইন’। চরিত্র, গল্প ও নির্মাণশৈলীর মৌলিকত্বই এই ফিল্মের প্রধান শক্তি।
এর আগে কাজী আসাদ চরকির জন্য ‘আধুনিক বাংলা হোটেল’ নির্মাণ করেছিলেন। ‘লাইফলাইন’-এর গল্প লিখেছেন মাহমুদুল হাসান টিপু ও কাজী আসাদ। চিত্রনাট্য ও সংলাপ লিখেছেন আসাদুজ্জামান আবীর এবং কাজী আসাদ।
আগামী ২১ জুন চরকিতে মুক্তি পাবে ‘লাইফলাইন’।

বিনোদন ডেস্ক