মার্সেলোতে রক্ষা রিয়াল-রোনালদোর
গোল মাঝেমধ্যে করেন বটে, কিন্তু তাঁর কাজটা মূলত রক্ষণভাগ সামলানো। রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে গোল করার জন্য আছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো, করিম বেনজেমা, হামেস রদ্রিগেজদের মতো তারকা। কিন্তু সবাই ব্যর্থ হওয়ার পর শেষপর্যন্ত ব্রাজিলিয়ান ডিফেন্ডার মার্সেলোর সৌজন্যেই রক্ষা পেয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। ভ্যালেন্সিয়ার বিপক্ষে ম্যাচের একেবারে শেষপর্যায়ে দারুণ এক গোল করে রিয়ালকে জয়ের বন্দরে নিয়ে গেছেন মার্সেলো। ২-১ গোলের ঘাম-ঝরানো জয় দিয়ে শিরোপা জয়ের দৌড়েও এগিয়ে যাচ্ছে রিয়াল।
রিয়াল মাদ্রিদকে তো বটেই, মার্সেলো রক্ষা করেছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোকেও। ড্র করে মাঠ ছাড়তে হলে যে পেনাল্টি মিস করার জন্য তীব্র সমালোচনার মুখে পড়তে হতো এ সময়ের অন্যতম সেরা এই ফুটবলারকে। কে জানে, হয়তো লা লিগা জিততে না পারার জন্য শেষপর্যন্ত দায়ী করা হতো রোনালদোর এই পেনাল্টি মিসকেই! তবে মার্সেলোর করা গোলের সুবাদে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ায় সেই সমালোচনার তীরগুলোতে আর বিদ্ধ হতে হবে না রোনালদোকে।
নিজেদের মাঠ সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে অবশ্য রোনালদোই করেছিলেন দলের পক্ষে প্রথম গোলটি। ২৭ মিনিটের মাথায় কারভাহালের পাস থেকে বল পেয়ে সেটি জালে জড়িয়েছিলেন এই পর্তুগিজ তারকা। প্রথমার্ধটাও ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকেই শেষ করেছিল রিয়াল। দ্বিতীয়ার্ধে ৫৭ মিনিটে ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগও এসেছিল রোনালদোর সামনে। কিন্তু পেনাল্টি থেকে গোল করার সহজ এই সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি তিনি।
রোনালদোর হতাশা আরো বাড়িয়ে দিয়ে ৮২ মিনিটে ম্যাচে সমতাও আনে ভ্যালেন্সিয়া। গোল করে বসেন ভ্যালেন্সিয়ার স্প্যানিশ মিডফিল্ডার দানিয়েল পেরেজো। ১-১ গোলের ড্র নিয়ে মাঠ ছাড়ার শঙ্কাই চেপে বসেছিল রিয়াল সমর্থকদের মনে। কিন্তু ৮৬ মিনিটে দলকে রক্ষা করেছেন মার্সেলো। আলভেরো মোরাতার পাস থেকে বল পেয়ে সেটা জড়িয়ে দিয়েছেন ভ্যালেন্সিয়ার জালে।
লা লিগার অপর ম্যাচে রিয়ালের চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী বার্সেলোনাও ৩-০ গোলের জয় পেয়েছে এসপানিওলের বিপক্ষে। ফলে এখনো দুই দলের পয়েন্ট সংখ্যা সমান, ৮১। রিয়াল অবশ্য বার্সেলোনার চেয়ে একটি ম্যাচ কম খেলেছে। লিগের বাকি ম্যাচগুলোতে দুই দলই জয় পেলে শিরোপা উঠবে রিয়ালেরই ট্রফি কেসে।

স্পোর্টস ডেস্ক