চোট নিয়ে মাঠে নেমেই জাদু দেখালেন নেইমার
ক্যারিয়ারে মাঠের চেয়ে বরং মাঠের বাইরেই বেশি সময় কাটাতে হয়েছে ব্রাজিলিয়ান তারকা নেইমার জুনিয়রকে। তিনি ক্যারিয়ারে যতটা চোট সহ্য করেছেন, এতটা চোট সহ্য করে আর কোনো ফুটবলার খেলা চালিয়ে যেতে পারেননি। সর্বশেষ ব্রাজিলিয়ান মিডিয়াগুলো জানিয়েছিল, নতুন চোটে এ বছর আর মাঠে নামা হবে না নেইমারের।
তবে নেইমার তো অদম্য, কখনোই চোট দমিয়ে রাখতে পারেনি তাকে। এবারও পারেনি। মাঠে নামার আগে ক্লাবের ডাক্তার পরামর্শ দিয়েছিলেন আপাতত মাঠে যেন না নামেন। ক্লাবের দুঃসময়ে সেই পরামর্শকে সম্মান জানাতে পারেননি নেইমার। চোট নিয়েই মাঠে নামলেন– গোল করলেন, গোল করালেন। দলের জয়ে রাখলেন গুরুত্বপূর্ণ অবদান।
শুক্রবার (২৯ নভেম্বর) ভোরে ব্রাজিলিয়ান সিরি-এ-তে স্পোর্ট রেসিফের বিপক্ষে ৩-০ গোলে জয় পেয়েছে নেইমারের ক্লাব সান্তোস। লিগের শেষ তিন ম্যাচ হাতে রেখে রেলিগেশন জোনের কাছে ছিল নেইমারের ক্লাব। দ্বিতীয় বিভাগে নেমে যাওয়া আটকানোর কাজ এখন তাদের।
এদিন সান্তোসের শুরুর একাদশেই ছিলেন নেইমার। জাল খুঁজে নিতেও খুব বেশি সময় নেননি ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড। ম্যাচের ১৫ মিনিটের মধ্যেই দুইবার গোলে শট নিয়েছিলেন নেইমার। কিন্তু আটকে গিয়েছিল সেগুলো।
২৫ মিনিটে আর আটকে রাখা যায়নি নেইমারকে। ডি বক্সের সামনে থেকে সতীর্থের পাসে বল পান নেইমার। তারপর স্পোর্ট রেসিফের দুই ডিফেন্ডারের চ্যালেঞ্জ এড়িয়ে ডান পায়ের নিচু শটে বল জালে জড়িয়ে দেন তিনি।
ম্যাচের ৩৫ মিনিটে কর্ণার থেকে বল ক্লিয়ার করতে গিয়ে নিজেদের জালেই বল জড়িয়ে দেন স্পোর্ট রেসিফের খেলোয়াড়রা। ২-০ গোলের লিড নিয়ে বিরতিতে যায় সান্তোস।
৬৬ মিনিটে কর্ণার পেয়েছিল সান্তোস। নেইমারের নেওয়া কর্নার থেকে বল যায় ছয় গজ বক্সে। সেখান থেকে হেড করে স্কোরলাইন ৩-০ করেন জোয়াও স্মিট।
এ জয়ের লিগে ৩৬ ম্যাচ খেলে ১০ জয়, ১১ ড্র আর ১৫ হারে ৪১ পয়েন্ট সান্তোসের। বর্তমানে তারা আছে টেবিলের ১৫ নম্বরে। রেলিগেশন জোন থেকে দুই ধাপ ওপরে আছে সান্তোস। আর ম্যাচ বাকি তাদের দুটি।

স্পোর্টস ডেস্ক