আল-কায়েদার পেছনে ইরানের ইন্ধন!
পাকিস্তানের অ্যাবোটাবাদে ২০১১ সালে হত্যা করা হয় জঙ্গি সংগঠন আল-কায়েদাপ্রধান ওসামা বিন লাদেনকে। যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ বাহিনী নেভি সিল পরিচালিত ওই অভিযানের সময় লাদেনের গোপন আস্তানা থেকে উদ্ধার করা হয় বেশ কিছু নথিপত্র।
গত বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ প্রকাশিত ওই নথিপত্রে আল-কায়েদার সঙ্গে ইরানের সংযোগের প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে দাবি করা হচ্ছে। যদিও এ ব্যাপারে ইরানের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তারা জানান, আল-কায়েদা সম্পর্কিত ৪৭ হাজার নথি প্রকাশ করা হয়েছে। এর মধ্যে আরবিতে লেখা ১৯ পাতার একটি নথিতে বলা হয়, সন্ত্রাসী এই সংগঠনটির সঙ্গে ইরানের ১৯৯১ সাল থেকে সম্পর্ক রয়েছে। এ ছাড়া ওই নথিতে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রে হামলা করতে যায় এমন যে কাউকে সাহায্য করতে প্রস্তুত রয়েছে ইরান।
সংবাদমাধ্যম খালিজ টাইমস জানায়, সিআইএ প্রকাশিত নথিতে বিল লাদেনের পুত্র হামজার বিয়ের ভিডিও প্রকাশ করা হয়েছে, যেখানে প্রথমবারের মতো প্রাপ্তবয়স্ক হামজাকে দেখতে পাওয়া যায়। এর আগে সবাই ওসামাপুত্রের কিশোর বয়সের ছবির সঙ্গে পরিচিত ছিল।
১৯ পাতার ওই নথিতে বলা হয়, আল-কায়েদার জঙ্গিদের অস্ত্র, অর্থসহ প্রায় সবকিছুই দিয়ে সাহায্য করত ইরান। এ ছাড়া লেবাননে হিজবুল্লাহর ক্যাম্পে তাদের সামরিক প্রশিক্ষণ দেওয়া হতো। সৌদি আররের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক বিনষ্টের জন্য ইরান এ উদ্যোগ নিয়েছিল। এ ছাড়া ১৯৯১ অথবা ১৯৯২ সালের প্রথম দিকে সুদানে আল-কায়েদার নেতাদের সঙ্গে দেখা করেছিলনে ইরানের শীর্ষস্থানীয় কর্তাব্যক্তিরা।
গত বুধবার ওই ১৯ পাতার নথি প্রকাশের পর বৃহস্পতিবারই তা নিরাপত্তার অজুহাত দেখিয়ে সরিয়ে নেয় সিআইএ। তবে খুব শিগগির সেগুলো আবার প্রকাশ করা হবে বলে জানায় তারা।

অনলাইন ডেস্ক