হামলা অব্যাহত থাকলে ‘বেশি ক্ষতিগ্রস্ত’ হবে তেহরান : সৌদি আরব
সৌদি আরব ও অন্যান্য উপসাগরীয় (জিসিসি), আরব ও ইসলামী দেশগুলোর ওপর ইরানের সাম্প্রতিক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। রিয়াদ এই হামলাগুলোকে ‘জঘন্য’ বলে অভিহিত করে সতর্ক করেছে, তেহরান যদি এই উসকানি বন্ধ না করে, তবে এর পরিণাম তাদের জন্যই সবচেয়ে ভয়াবহ হবে। খবর আল জাজিরার।
সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, বিমানবন্দর ও তেল শোধনাগারের মতো গুরুত্বপূর্ণ বেসামরিক স্থাপনাগুলোতে হামলা আন্তর্জাতিক আইন এবং সনদের স্পষ্ট লঙ্ঘন। এই ধরনের কর্মকাণ্ড কেবল আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতাকেই হুমকির মুখে ফেলছে না, বরং এটি ইরানের দায়িত্বজ্ঞানহীনতারই বহিঃপ্রকাশ।
তেহরান দাবি করেছিল, সৌদি আরব তাদের ভূখণ্ড থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান পরিচালনার অনুমতি দিয়েছে। তবে সৌদি আরব এই দাবিকে ‘মিথ্যা ও ভিত্তিহীন’ বলে উড়িয়ে দিয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সৌদি বা জিসিসি আকাশসীমায় যে বিমানগুলো দেখা গেছে, সেগুলো কেবল রক্ষামূলক টহলের জন্য ছিল। এসব বিমানের লক্ষ্য ছিল ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন থেকে নিজেদের আকাশসীমা রক্ষা করা, ইরানের ওপর হামলা চালানো নয়।
মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ইরানের বর্তমান পদক্ষেপ কোনোভাবেই উত্তেজনা কমানোর আগ্রহ প্রকাশ করে না। সৌদি আরব মনে করে, এই সংঘাত যদি আরও বৃদ্ধি পায়, তবে মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে ইরানই হবে সবচেয়ে বড় ক্ষতিগ্রস্ত দেশ। চলমান এই আক্রমণ বর্তমান ও ভবিষ্যতের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ওপর দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলেও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সৌদি আরব নিজের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণের অধিকার রাখে।

এনটিভি অনলাইন ডেস্ক