যুক্তরাষ্ট্রে জেনারেল কাসেম সোলেইমানির ভাগ্নি ও নাতনি গ্রেপ্তার
যুক্তরাষ্ট্রের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছেন ইরানের প্রয়াত জেনারেল কাসেম সোলেইমানির ভাগ্নি হামিদেহ সোলেইমানি আফশার ও তার মেয়ে। শনিবার (৪ এপ্রিল) মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর এক বিবৃতিতে জানায়, তাদের গ্রিন কার্ড বা স্থায়ীভাবে বসবাসের অনুমতি বাতিল করা হয়েছে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে বলেছেন, ওই দুই নারী বর্তমানে মার্কিন অভিবাসন ও শুল্ক প্রয়োগকারী সংস্থার (আইসিই) হেফাজতে রয়েছেন। তাদের দেশ থেকে বহিষ্কারের প্রক্রিয়া চলছে।
রুবিও বলেন, সোলেইমানি আফশার ও তার মেয়ে গ্রিন কার্ডধারী হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে ‘বিলাসবহুল জীবনযাপন’ করছিলেন, অথচ তারা ইরানের ‘স্বৈরাচারী ও সন্ত্রাসী শাসনের’ সমর্থক।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, সোলেইমানি আফশার তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যাকাউন্টে ইরানি শাসকগোষ্ঠীর প্রচারণা চালিয়ে আসছিলেন। এই ঘটনায় তার স্বামীকেও যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। তবে মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্ট সোলেইমানি আফশারের মেয়ে বা স্বামীর নাম প্রকাশ করেনি।
জেনারেল কাসেম সোলেইমানি ছিলেন ইরানের এলিট কুদস ফোর্সের প্রধান, যিনি ২০২০ সালে ইরাকের বাগদাদ বিমানবন্দরে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে চালানো এক বিমান হামলায় নিহত হন।
সম্প্রতি জাতির উদ্দেশে দেওয়া এক ভাষণে ট্রাম্প সোলেইমানি সম্পর্কে বলেন, ‘আমি আমার প্রথম মেয়াদে কাসেম সোলেইমানিকে হত্যা করেছি। সে ছিল এক শয়তান প্রতিভাবান ব্যক্তি, কিন্তু একজন জঘন্য মানুষ।’
ট্রাম্প আরও বলেন, সোলেইমানি বেঁচে থাকলে বর্তমান যুদ্ধে ইরান সম্ভবত আরও শক্তিশালী অবস্থানে থাকত।

এনটিভি অনলাইন ডেস্ক